ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঋণখেলাপিদের তথ্য চেয়ে ইসির চিঠি এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ঝালকাঠিতে ১৬০ মণ্ডপে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি, নিরাপত্তায় সিসিটিভি শেষ তুলির আঁচড়ে দুর্গাপ্রতিমায় প্রাণ, উৎসবের অপেক্ষায় ইসলামপুর নোয়াখালীতে হাসপাতালের জানালার গ্রিল কেটে ৯ লাখ টাকা চুরি চাহিদা মিটিয়ে ডিম রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বিশ্বব্যাংক থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী প্রবাসীদের হয়রানি নিরসনে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা, শিগগিরই চালু যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলের অভিযোগ, বিচার দাবিতে মানববন্ধন সিলেটে হামের চাপ, শয্যা সংকটে এক বিছানায় একাধিক শিশু

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৮:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অমর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুউদ্দিন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ভাষাশহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি।

এরপর প্রধান উপদেষ্টা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় ভাষা শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন তারা।

প্রথমে রাষ্ট্রপতি পরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে দিয়ে শুরু হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবসের আনুষ্ঠানিকতা।

এরআগে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান তাদেরকে স্বাগত জানান।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধান বিচারপতি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ তার আপিল বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।

পরে একে একে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন তিন বাহিনী প্রধান, উপাচার্যের নেতৃত্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাবি শিক্ষক সমিতি এবং অন্যান্য সংগঠন।

রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে শহীদ মিনার সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ নানা বয়স ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা জানান। শুধু ঢাকা নয়, সারা দেশেই মানুষ শ্রদ্ধা ভালোবাসায় স্মরণ করে ভাষা শহীদদের স্মরণ করছেন।

রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে মহান শহীদ দিবস হিসেবে পালন হয়ে আসছে। তবে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে অমর একুশে এখন পালিত হচ্ছে সারা বিশ্বে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে।

১৯৯৯ সালে ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৮:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

অমর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুউদ্দিন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ভাষাশহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি।

এরপর প্রধান উপদেষ্টা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় ভাষা শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন তারা।

প্রথমে রাষ্ট্রপতি পরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে দিয়ে শুরু হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবসের আনুষ্ঠানিকতা।

এরআগে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান তাদেরকে স্বাগত জানান।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধান বিচারপতি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ তার আপিল বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।

পরে একে একে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন তিন বাহিনী প্রধান, উপাচার্যের নেতৃত্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাবি শিক্ষক সমিতি এবং অন্যান্য সংগঠন।

রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে শহীদ মিনার সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ নানা বয়স ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা জানান। শুধু ঢাকা নয়, সারা দেশেই মানুষ শ্রদ্ধা ভালোবাসায় স্মরণ করে ভাষা শহীদদের স্মরণ করছেন।

রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে মহান শহীদ দিবস হিসেবে পালন হয়ে আসছে। তবে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে অমর একুশে এখন পালিত হচ্ছে সারা বিশ্বে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে।

১৯৯৯ সালে ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।