ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রবাসীদের হয়রানি নিরসনে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা, শিগগিরই চালু যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলের অভিযোগ, বিচার দাবিতে মানববন্ধন সিলেটে হামের চাপ, শয্যা সংকটে এক বিছানায় একাধিক শিশু শিশুর ডিএনএ পরীক্ষা কি চাইলেই করা যায়? রয়েছে নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমল ৩,২৬৬ টাকা রাতে মহাসড়কে সিএনজি চালায় কারা? পরিচয়হীন চালক, ঝুঁকিতে যাত্রী জেএফকে বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. ইউনূস অনিয়মের ভিডিও করায় সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিলেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী নাসিরনগরে সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, কাঠগড়ায় এমপি হান্নান ২৯ অক্টোবর এইচএসসি-সমমানের ফল, মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব

অঢেল অবৈধ সম্পত্তির মালিক সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী বীর বাহাদুর

আহমেদ বিল্লাল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৩০:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘ ৩১ বছর একটানা ক্ষমতা থাকার সুবাদে বীর বাহাদুর উ শৈ সিং বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।১৯৯১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামীলীগের টানা ৭ বারের সংসদ সদস্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও পূর্ন মন্ত্রীর দায়িত্বেও ছিলেন।

সাবেক এ মন্ত্রীর ৩৭ হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক, দেয়া হয়েছে দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা। স্ত্রী মে হ্লা প্রু ও তাদের তিন সন্তান উ সিং হাই, থোওয়াই শৈ ওয়াং এবং ম্যা ম্যা খিং ভেনাসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

অভিযোগ রয়েছে, বীর বাহাদুর উ শৈ সিং এর ইশারা ছাড়া বান্দরবান জেলার গাছের পাতাও নড়েনি ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৭ বছরে। ক্ষমতা থাকাকালীন সময়ে পার্বত্য জেলার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য , উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষধের চেয়ারম্যান মনোয়ন , দলীয় ও বিভিন্ন সংগঠনের পদবানিজ্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন টেন্ডার কাজের নিয়ন্ত্রন করতো। আর এসব খাত থেকে ক্ষমতা অপব্যবহার করে অনিয়ম করে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি।

টানা দীর্ঘ ৩১ বছর ক্ষমতা থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বীর বাহাদুর দুই হাজার একরের বেশি জায়গা মালিক হয়েছেন। কৃষি পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, মৎস্য বিভাগ এর কৃষি প্রকল্প বীর বাহাদুরের ব্যাক্তি মালিকানধীন বাগানের জায়গা বাস্তবায়ন করা হয়।

উন্নয়নকর্মী লেলুং খুমী জানান, ‘ওনাকে সহ যারা দূর্নীতিবাজ দূর্নীতির সাথে জড়িত রয়েছে তাদের সকলকে তদন্ত সাপেক্ষ আইনের আওতায় এনে উচিত শিক্ষা দেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি’।

দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, বান্দরবান জেলার সভাপতি অংচমং জানান, ‘বান্দরবানে সরকারের কোটি কোটি টাকা সরকারের বরাদ্ধ এসেছে, সে টাকাগুলো কোথায় গিয়েছে। আমরা অনেক জায়গা দেখেছি যেখানে যথাযথ ভাবে প্রকল্প হওয়ার কথা ছিল সেখানে মানসম্মত হওয়ার কথা ছিল আমরা সেভাবে প্রকল্প আদো পাইনি’। তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, দেশের মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং বিদেশের নেপাল ও অস্ট্রেলিয়াসহ ভিবিন্ন দেশে অঢেল অবৈধ সম্পত্তি রয়েছে। তার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে নেমেছে দূর্নীতি দমন কমিশন। চলতি মাসে দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে বীর বাহাদুর ও তার স্ত্রীর এবং তার তিন সন্তানের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অঢেল অবৈধ সম্পত্তির মালিক সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী বীর বাহাদুর

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৩০:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

দীর্ঘ ৩১ বছর একটানা ক্ষমতা থাকার সুবাদে বীর বাহাদুর উ শৈ সিং বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।১৯৯১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামীলীগের টানা ৭ বারের সংসদ সদস্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও পূর্ন মন্ত্রীর দায়িত্বেও ছিলেন।

সাবেক এ মন্ত্রীর ৩৭ হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক, দেয়া হয়েছে দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা। স্ত্রী মে হ্লা প্রু ও তাদের তিন সন্তান উ সিং হাই, থোওয়াই শৈ ওয়াং এবং ম্যা ম্যা খিং ভেনাসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

অভিযোগ রয়েছে, বীর বাহাদুর উ শৈ সিং এর ইশারা ছাড়া বান্দরবান জেলার গাছের পাতাও নড়েনি ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৭ বছরে। ক্ষমতা থাকাকালীন সময়ে পার্বত্য জেলার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য , উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষধের চেয়ারম্যান মনোয়ন , দলীয় ও বিভিন্ন সংগঠনের পদবানিজ্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন টেন্ডার কাজের নিয়ন্ত্রন করতো। আর এসব খাত থেকে ক্ষমতা অপব্যবহার করে অনিয়ম করে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি।

টানা দীর্ঘ ৩১ বছর ক্ষমতা থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বীর বাহাদুর দুই হাজার একরের বেশি জায়গা মালিক হয়েছেন। কৃষি পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, মৎস্য বিভাগ এর কৃষি প্রকল্প বীর বাহাদুরের ব্যাক্তি মালিকানধীন বাগানের জায়গা বাস্তবায়ন করা হয়।

উন্নয়নকর্মী লেলুং খুমী জানান, ‘ওনাকে সহ যারা দূর্নীতিবাজ দূর্নীতির সাথে জড়িত রয়েছে তাদের সকলকে তদন্ত সাপেক্ষ আইনের আওতায় এনে উচিত শিক্ষা দেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি’।

দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, বান্দরবান জেলার সভাপতি অংচমং জানান, ‘বান্দরবানে সরকারের কোটি কোটি টাকা সরকারের বরাদ্ধ এসেছে, সে টাকাগুলো কোথায় গিয়েছে। আমরা অনেক জায়গা দেখেছি যেখানে যথাযথ ভাবে প্রকল্প হওয়ার কথা ছিল সেখানে মানসম্মত হওয়ার কথা ছিল আমরা সেভাবে প্রকল্প আদো পাইনি’। তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, দেশের মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং বিদেশের নেপাল ও অস্ট্রেলিয়াসহ ভিবিন্ন দেশে অঢেল অবৈধ সম্পত্তি রয়েছে। তার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে নেমেছে দূর্নীতি দমন কমিশন। চলতি মাসে দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে বীর বাহাদুর ও তার স্ত্রীর এবং তার তিন সন্তানের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।