ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রবাসীদের হয়রানি নিরসনে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা, শিগগিরই চালু যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলের অভিযোগ, বিচার দাবিতে মানববন্ধন সিলেটে হামের চাপ, শয্যা সংকটে এক বিছানায় একাধিক শিশু শিশুর ডিএনএ পরীক্ষা কি চাইলেই করা যায়? রয়েছে নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমল ৩,২৬৬ টাকা রাতে মহাসড়কে সিএনজি চালায় কারা? পরিচয়হীন চালক, ঝুঁকিতে যাত্রী জেএফকে বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. ইউনূস অনিয়মের ভিডিও করায় সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিলেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী নাসিরনগরে সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, কাঠগড়ায় এমপি হান্নান ২৯ অক্টোবর এইচএসসি-সমমানের ফল, মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব

মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:১৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১২০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের মণিপুরে জারি করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি শাসন। সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন এন বিরেন সিং। গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে জাতিহিংসায় উত্তপ্ত উত্তরপূর্বের রাজ্য। কয়েকশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ঘরছাড়া অসংখ্য মানুষ।

এর জেরে আঙুল উঠেছিল মণিপুরের গেরুয়া সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিংয়ের বিরুদ্ধে। ঘরে বাইরে চাপের মুখে গত ৯ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি। কয়েকদিনের মধ্যেই সেখানে জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন।

২০২৩ সালের ৩ মে মণিপুরে শুরু হয় মেতেই-কুকি সংঘর্ষ। সেই থেকেই উত্তপ্ত উত্তর-পূর্ব রাজ্যটি। ২০২৪-এর শেষ দিন মণিপুরে রক্তক্ষয়ী হিংসার জন্য রাজ্যের সমস্ত নাগরিকের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন বিরেন সিং। ইম্ফলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সর্বসাধারণের উদ্দেশে তাঁর বার্তা ছিল-“গোটা বছর দুর্ভাগ্যজনক কেটেছে আমাদের। গত বছরের ৩ মে থেকে যা ঘটে চলেছে রাজ্যে তার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চাইছি আমি। অনেকেই প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। অনেকে ঘরছাড়া হয়েছেন। আমি অনুতপ্ত। ক্ষমা চাইছি।

কিন্তু গত তিন-চার মাসের শান্তি পরিস্থিতি দেখে আমার আশা যে ২০২৫-এর মধ্যে রাজ্যে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরবে।” সেই সঙ্গে রাজ্যের ৩৫টি উপজাতি গোষ্ঠীকে মিলমিশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এরপরও টলমল করছিল তাঁর গদি।

শেষপর্যন্ত গত রবিবার ইস্তফা দেন তিনি।মণিপুর বিধানসভায় অনাস্থা প্রস্তাব আনতে চলেছে কংগ্রেস। সেই খবর পান বিরেন। আস্থা ভোটে বিরেন সরকারের পতনের সম্ভাবনা ছিল প্রবল।

রাজনৈতিক এই আশঙ্কার মধ্যেই রবিবার দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী। এরপর ইম্ফলে ফিরেই রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। এরপরই বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মণিপুরে জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:১৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ভারতের মণিপুরে জারি করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি শাসন। সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন এন বিরেন সিং। গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে জাতিহিংসায় উত্তপ্ত উত্তরপূর্বের রাজ্য। কয়েকশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ঘরছাড়া অসংখ্য মানুষ।

এর জেরে আঙুল উঠেছিল মণিপুরের গেরুয়া সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিংয়ের বিরুদ্ধে। ঘরে বাইরে চাপের মুখে গত ৯ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি। কয়েকদিনের মধ্যেই সেখানে জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন।

২০২৩ সালের ৩ মে মণিপুরে শুরু হয় মেতেই-কুকি সংঘর্ষ। সেই থেকেই উত্তপ্ত উত্তর-পূর্ব রাজ্যটি। ২০২৪-এর শেষ দিন মণিপুরে রক্তক্ষয়ী হিংসার জন্য রাজ্যের সমস্ত নাগরিকের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন বিরেন সিং। ইম্ফলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সর্বসাধারণের উদ্দেশে তাঁর বার্তা ছিল-“গোটা বছর দুর্ভাগ্যজনক কেটেছে আমাদের। গত বছরের ৩ মে থেকে যা ঘটে চলেছে রাজ্যে তার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চাইছি আমি। অনেকেই প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। অনেকে ঘরছাড়া হয়েছেন। আমি অনুতপ্ত। ক্ষমা চাইছি।

কিন্তু গত তিন-চার মাসের শান্তি পরিস্থিতি দেখে আমার আশা যে ২০২৫-এর মধ্যে রাজ্যে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরবে।” সেই সঙ্গে রাজ্যের ৩৫টি উপজাতি গোষ্ঠীকে মিলমিশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এরপরও টলমল করছিল তাঁর গদি।

শেষপর্যন্ত গত রবিবার ইস্তফা দেন তিনি।মণিপুর বিধানসভায় অনাস্থা প্রস্তাব আনতে চলেছে কংগ্রেস। সেই খবর পান বিরেন। আস্থা ভোটে বিরেন সরকারের পতনের সম্ভাবনা ছিল প্রবল।

রাজনৈতিক এই আশঙ্কার মধ্যেই রবিবার দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী। এরপর ইম্ফলে ফিরেই রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। এরপরই বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মণিপুরে জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন।