ঝিকরগাছায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:০৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ৩১২ বার পড়া হয়েছে
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা প্রাঙ্গনে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দু’জন আহত হয়েছেন।
ঝিকরগাছা উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলনের সভাপতি আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর লোকজনের বিরোধ বাধে। এতে ঝিকরগাছা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আঁখি খাতুন(২১) এবং বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলনের সদস্য সাকিব খলিফা(২০) আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে এ ঘটনাটি ঘটে।
জানা গেছে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সংগঠক আজহারুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার পরিকল্পনা করে এক যোগে কাজ করার জন্য বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলনের সভাপতি আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে আমন্ত্রণ জানান।
পরিকল্পনা অনুযায়ী উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক মাহমুদ হাসান ও সদস্য সচিব আঁখির নেতৃত্বে ১৫-১৬জনের একটি দল ছেনি, হাতুড়ি নিয়ে উপজেলা চত্ত¡রের ভাস্কর্য ভাঙতে শুরু করে।
এরই মধ্যে বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলনের সভাপতি আতাউর রহমান বিক্রমপুরী তার সহযোগীদের নিয়ে ৭-৮টি মোটরসাইকেল যোগে ১০-১২জন সেখানে উপস্থিত হন। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই ভাস্কর্য ভাঙার দৃশ্য আতাউর রহমান বিক্রমপুরী সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ) করার চেষ্টা করে। তখন ঝিকরগাছা উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন সমন্বয়ক তাদেরকে লাইভ করতে নিষেধ করেন। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।
এক পর্যায়ে উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আঁখি খাতুনের হাত মচকে গিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং যশোর সদরের সুজলপুর গ্রামের খোকন খলিফার ছেলে সাকিব খলিফা(২০) চাকুর আঘাতে আহত হন। পরে আতাউর রহমান বিক্রমপুরী সাকিবকে নিয়ে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলনের কর্মী আল আমিন জানান, মাস্ক পরা কিছু লোক ছিলো এর মধ্যে একজন সাকিবকে চাকু মেরে মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রæত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তাকে সনাক্ত করা যায়নি।
ঝিকরগাছা উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক মাহমুদ হাসান বলেন আমরা আমাদের মত কাজ করছিলাম। এমন সময় আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর লোকজন এসে ফেসবুকে লাইভ করতে চাইলে নিষেধ করায় এই অনাকাঙ্খিত ঘটনা তারা ঘটায়।
ঝিকরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, ঘটনা শুনেই আমার অফিসার সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন সবকিছু স্বাভাবিক আছে। এই ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি।

























