ঢাকা ০১:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কারিগরি ত্রুটিতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং রাডার অচল, তবু চলছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস; গভীর সমুদ্রের তথ্য নিয়ে শঙ্কা হু হু করে বাড়ছে পদ্মার পানি, বন্ধ ১৮ স্কুলের পাঠদান খেলাপির চাপে নড়বড়ে ১৫ ব্যাংক, প্রভিশন ঘাটতি ২ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা ডিম-মুরগি থেকে মাছ-সবজি—ছয় মাসে ঢাকার বাজারে যতটা বদল ৬৪ জেলায় বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা বিরোধীদের সঙ্গে নিয়েই জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: প্রধানমন্ত্রী সালাহউদ্দিন ও মঈন খানের দায়িত্ব বাড়াল সরকার আর্থিক চাপে আমেরিকা, ইরান যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত ট্রাম্পের শেখ সেলিমকে নেতৃত্বে আনার ইস্যুতে আওয়ামী লীগে নতুন অস্বস্তি?

যশোরে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, ভাস্কর্যসহ ৮ নামফলক ভাংচুর

শহিদুল ইসলাম দইচ, যশোর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৪২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২০৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, যশোর জেলা পরিষদ, সদর উপজেলা পরিষদ, যশোর পৌরসভায় নির্মিত শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ও মণিহার এলাকায় বিজয় স্তম্ভের প্রাচীরসহ অন্তত ৮ নামফলক ভাংচুর করেছে ছাত্র ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।

তবে, এই ঘটনার সাথে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন সংগঠনের জেলা আহ্বায়ক।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে প্রথমে কয়েকজন ছাত্র এসে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালটি ভেঙে ফেলে। ১০ থেকে ১২টি মোটরসাইকেলে করে ২৫-৩০ জন যুবক সেখানে যায়। এরপর তাদের হাতে থাকা লোহার পাইপ, হাতুড়ি ও শাবল দিয়ে তারা ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইত্যাদি স্লোগান দিয়ে ভাঙচুর শুরু করে।

jessor 1

এরপর তারা জেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালও ভেঙে ফেলে। পরে তারা যায় পুরাতন কসবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে উদ্বোধক হিসেবে থাকা শেখ হাসিনার নামফলক ভাঙচুর করে। এ সময় তারা যশোর পৌরসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অর্ধেক ভাঙা ভাস্কর্যটিও পুরোপুরি ভেঙে ফেলে দেয়। ভেঙে ফেলেন যশোর ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স অফিসের উদ্বোধনী নামফলকও।

পরে একে একে শহরের অন্তত আটটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে যেখানে শেখ হাসিনার নামফলক ছিল সেসব ভেঙে দেয়। মুক্তিযুদ্ধের ‘বিজয় স্তম্ভে’ থাকা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও সেখানকার নামফলক ভাঙা হয়েছে।

এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত ) কাজী বাবুল হোসেন বলেন, এই ধরনের কোনও ঘটনা আমার জানা নেই।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যশোরের আহ্বায়ক রাশেদ খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভাঙচুরকারীরা ‘নারায়ে তকবির, আল্লাহু আকবার ‘ স্লোগান দিয়ে ভাংচুর চালায়। তাদের সাথে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক নেই। ভাঙচুরের বিষয়ে আমাদের কোনও নির্দেশনা ছিল না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যশোরে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, ভাস্কর্যসহ ৮ নামফলক ভাংচুর

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৪২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, যশোর জেলা পরিষদ, সদর উপজেলা পরিষদ, যশোর পৌরসভায় নির্মিত শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ও মণিহার এলাকায় বিজয় স্তম্ভের প্রাচীরসহ অন্তত ৮ নামফলক ভাংচুর করেছে ছাত্র ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।

তবে, এই ঘটনার সাথে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন সংগঠনের জেলা আহ্বায়ক।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে প্রথমে কয়েকজন ছাত্র এসে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালটি ভেঙে ফেলে। ১০ থেকে ১২টি মোটরসাইকেলে করে ২৫-৩০ জন যুবক সেখানে যায়। এরপর তাদের হাতে থাকা লোহার পাইপ, হাতুড়ি ও শাবল দিয়ে তারা ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ইত্যাদি স্লোগান দিয়ে ভাঙচুর শুরু করে।

jessor 1

এরপর তারা জেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালও ভেঙে ফেলে। পরে তারা যায় পুরাতন কসবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে উদ্বোধক হিসেবে থাকা শেখ হাসিনার নামফলক ভাঙচুর করে। এ সময় তারা যশোর পৌরসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অর্ধেক ভাঙা ভাস্কর্যটিও পুরোপুরি ভেঙে ফেলে দেয়। ভেঙে ফেলেন যশোর ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স অফিসের উদ্বোধনী নামফলকও।

পরে একে একে শহরের অন্তত আটটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে যেখানে শেখ হাসিনার নামফলক ছিল সেসব ভেঙে দেয়। মুক্তিযুদ্ধের ‘বিজয় স্তম্ভে’ থাকা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও সেখানকার নামফলক ভাঙা হয়েছে।

এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত ) কাজী বাবুল হোসেন বলেন, এই ধরনের কোনও ঘটনা আমার জানা নেই।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যশোরের আহ্বায়ক রাশেদ খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভাঙচুরকারীরা ‘নারায়ে তকবির, আল্লাহু আকবার ‘ স্লোগান দিয়ে ভাংচুর চালায়। তাদের সাথে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক নেই। ভাঙচুরের বিষয়ে আমাদের কোনও নির্দেশনা ছিল না।