ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

গোদাগাড়ীতে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২০২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সাফিনা পার্কের পাশে খাসপুকুর সংলগ্ন বাঁশঝারের নিচে থেকে ওয়াহেদ আলী (৬০) নামে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ওয়াহেদ আলী রাজশাহী জেলার রাজপাড়া থানার কাজিহাটা গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয়রা পার্কের পাশে লাশটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে গোদাগাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

স্থানীয়রা জানান, ওয়াহেদ আলী দুই দিন ধরে এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে মনে হয়েছিল। 

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, প্রাথমিক তদন্তে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

ময়নাতদন্ত শেষে লাশটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গোদাগাড়ীতে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সাফিনা পার্কের পাশে খাসপুকুর সংলগ্ন বাঁশঝারের নিচে থেকে ওয়াহেদ আলী (৬০) নামে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ওয়াহেদ আলী রাজশাহী জেলার রাজপাড়া থানার কাজিহাটা গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয়রা পার্কের পাশে লাশটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে গোদাগাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

স্থানীয়রা জানান, ওয়াহেদ আলী দুই দিন ধরে এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে মনে হয়েছিল। 

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, প্রাথমিক তদন্তে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

ময়নাতদন্ত শেষে লাশটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।