ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কারিগরি ত্রুটিতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং রাডার অচল, তবু চলছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস; গভীর সমুদ্রের তথ্য নিয়ে শঙ্কা হু হু করে বাড়ছে পদ্মার পানি, বন্ধ ১৮ স্কুলের পাঠদান খেলাপির চাপে নড়বড়ে ১৫ ব্যাংক, প্রভিশন ঘাটতি ২ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা ডিম-মুরগি থেকে মাছ-সবজি—ছয় মাসে ঢাকার বাজারে যতটা বদল ৬৪ জেলায় বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা বিরোধীদের সঙ্গে নিয়েই জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: প্রধানমন্ত্রী সালাহউদ্দিন ও মঈন খানের দায়িত্ব বাড়াল সরকার আর্থিক চাপে আমেরিকা, ইরান যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত ট্রাম্পের শেখ সেলিমকে নেতৃত্বে আনার ইস্যুতে আওয়ামী লীগে নতুন অস্বস্তি?

টাঙ্গাইলে পথশিশুদের নিয়ে পিঠা উৎসব

মশিউর রহমান, টাঙ্গাইল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:১৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবী তরুণদের সংগঠন দশমিক এর পক্ষ থেকে অসহায় পথশিশুদের নিয়ে ২৯ ফেব্রুয়ারি পিঠা উৎসব করা হয়েছে। টাঙ্গাইল শহরের আটপুকুর পাড় এলাকার ভাসমান ছিন্নমূল ও পথশিশুদের বিনামূল্যে এ উৎসবে পিঠা খাওয়ানো হয়েছে।

tangail

এসময় উপস্থিত ছিলেন দশমিক এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মিনারুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আশিকুর রহমান, সহ-সভাপতি তাহরিমা খান প্রভা, মহাসচিব আমেনা আক্তার তিলোত্তমা, কোষাধ্যক্ষ মিমি আক্তার, চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক প্রিয়াসা আক্তার, দপ্তর সম্পাদক তানভীর আহমেদ, কার্যকরী সদস্য সুইটি, সদস্য সেজুতি, সুহা, জীম, শান্তা ও নাজাহতুন।

স্বেচ্ছাসেবী তরুণ ছাত্র ছাত্রীদের হাত খরচের জমানো টাকায় ব্যতিক্রমী এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।

স্বেচ্ছাসেবী তরুণদের সংগঠন দশমিক এর উপদেষ্টা বিশিষ্ট সাংবাদিক মোঃ রাশেদ খান মেনন (রাসেল) বলেন, দশমিক এর অতিথি ভোজনের অংশ হচ্ছে এই পিঠা উৎসব। এই ছিন্নমূল শিশুরাই আমাদের বিশেষ অতিথি। সুবিধা বঞ্চিত ছিন্নমূল শিশুরা এ সকল মুখোরোচক পিঠা থেকে হয়তো বঞ্চিত থাকে। এই শিশুদের জন্য আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। দশমিক পাঠশালাতে যেমন শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষাদানে সময় দেয়া হয়, ঠিক তেমনি শিশুদের জন্য বিভিন্ন আয়োজন করা হয়। আমরা ভিন্ন স্বাদে শীতের বিভিন্ন মুখোরোচক পিঠার আয়োজন করেছি তাদের জন্যে। পিঠা বাঙালি জীবন ও সংস্কৃতির এক অপরিহার্য উপাদান। অনেক বছর ধরে নানা রকমের পিঠার আয়োজন চলে বাংলার ঘরে ঘরে। তবে পিঠার আসল সময় শুরু হয় শরৎকাল থেকে। নবান্নে তৈরি শিরনি ও পিঠা দিয়ে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। অগ্রহায়ণে অর্থাৎ হেমন্তে নতুন ধান কাটার পর থেকেই মূলত পিঠা তৈরির ধুম পড়ে যায়। এক এক অঞ্চলে এক এক রকমের পিঠা তৈরি হয়। একই পিঠার নামও আবার অঞ্চলভেদে ভিন্ন।

তবে এমন কিছু পিঠা আছে যেমন চিতোই পিঠা, পাটিসাপটা, পুলিপিঠা, নকশি পিঠা, তেলে পিঠা ইত্যাদি প্রায় সব অঞ্চলেই বানানো হয়। দশমিক সংগঠন মূলত অসহায় শিশুদের স্বপ্ন পূরণের প্রচেষ্টায় কাজ করে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টাঙ্গাইলে পথশিশুদের নিয়ে পিঠা উৎসব

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:১৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবী তরুণদের সংগঠন দশমিক এর পক্ষ থেকে অসহায় পথশিশুদের নিয়ে ২৯ ফেব্রুয়ারি পিঠা উৎসব করা হয়েছে। টাঙ্গাইল শহরের আটপুকুর পাড় এলাকার ভাসমান ছিন্নমূল ও পথশিশুদের বিনামূল্যে এ উৎসবে পিঠা খাওয়ানো হয়েছে।

tangail

এসময় উপস্থিত ছিলেন দশমিক এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মিনারুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আশিকুর রহমান, সহ-সভাপতি তাহরিমা খান প্রভা, মহাসচিব আমেনা আক্তার তিলোত্তমা, কোষাধ্যক্ষ মিমি আক্তার, চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক প্রিয়াসা আক্তার, দপ্তর সম্পাদক তানভীর আহমেদ, কার্যকরী সদস্য সুইটি, সদস্য সেজুতি, সুহা, জীম, শান্তা ও নাজাহতুন।

স্বেচ্ছাসেবী তরুণ ছাত্র ছাত্রীদের হাত খরচের জমানো টাকায় ব্যতিক্রমী এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।

স্বেচ্ছাসেবী তরুণদের সংগঠন দশমিক এর উপদেষ্টা বিশিষ্ট সাংবাদিক মোঃ রাশেদ খান মেনন (রাসেল) বলেন, দশমিক এর অতিথি ভোজনের অংশ হচ্ছে এই পিঠা উৎসব। এই ছিন্নমূল শিশুরাই আমাদের বিশেষ অতিথি। সুবিধা বঞ্চিত ছিন্নমূল শিশুরা এ সকল মুখোরোচক পিঠা থেকে হয়তো বঞ্চিত থাকে। এই শিশুদের জন্য আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। দশমিক পাঠশালাতে যেমন শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষাদানে সময় দেয়া হয়, ঠিক তেমনি শিশুদের জন্য বিভিন্ন আয়োজন করা হয়। আমরা ভিন্ন স্বাদে শীতের বিভিন্ন মুখোরোচক পিঠার আয়োজন করেছি তাদের জন্যে। পিঠা বাঙালি জীবন ও সংস্কৃতির এক অপরিহার্য উপাদান। অনেক বছর ধরে নানা রকমের পিঠার আয়োজন চলে বাংলার ঘরে ঘরে। তবে পিঠার আসল সময় শুরু হয় শরৎকাল থেকে। নবান্নে তৈরি শিরনি ও পিঠা দিয়ে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। অগ্রহায়ণে অর্থাৎ হেমন্তে নতুন ধান কাটার পর থেকেই মূলত পিঠা তৈরির ধুম পড়ে যায়। এক এক অঞ্চলে এক এক রকমের পিঠা তৈরি হয়। একই পিঠার নামও আবার অঞ্চলভেদে ভিন্ন।

তবে এমন কিছু পিঠা আছে যেমন চিতোই পিঠা, পাটিসাপটা, পুলিপিঠা, নকশি পিঠা, তেলে পিঠা ইত্যাদি প্রায় সব অঞ্চলেই বানানো হয়। দশমিক সংগঠন মূলত অসহায় শিশুদের স্বপ্ন পূরণের প্রচেষ্টায় কাজ করে যাচ্ছে।