ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভৈরব নদে গোসলে নেমে গৃহবধূ নিখোঁজ ডিম্বাশয়ের বার্ধক্যে লাগাম! আরও বেশি বয়স পর্যন্ত মা হতে পারবেন নারীরা সোনার মূর্তি আর পুরোনো কয়েনের ফাঁদ, ভাই-বোন গ্রেপ্তার ক্যান্টনমেন্টের ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ এক দফার ঘোষণা দেন চার ক্যাটাগরির যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বৃদ্ধি, কার্যকর ১ জুলাই এবার উত্তরাঞ্চলে নতুন শঙ্কা, সতর্কবার্তা ৭ জেলার জন্য ডিজিটাল রূপান্তরে গণমাধ্যমের নতুন চ্যালেঞ্জ, সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ সিলেট-ঢাকা রুটে চালু হচ্ছে ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’ জিয়া হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত মোজাফফর গ্রেপ্তার, ৪৫ বছর পর সামনে পুরোনো প্রশ্ন ২০ জুলাই প্রকাশ হতে পারে এসএসসির ফল

নীরবেই পাচার হচ্ছে পাহাড়ের গাছ

বান্দরবান প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৮৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবেশের ভারসাম্য,জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার স্বার্থে লাইসেন্স ছাড়া সব ধরনের গাছ কাটা ও পরিবহন নিষিদ্ধ করেছে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়। আইন অনুযায়ী,ব্যক্তি মালিকানায় লাগানো বড় গাছ কাটতেও সরকারের অনুমতি নিতে হবে। তবে চোরাকারবারিরা স্থানীয় প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট দল বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জোগসাজে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অনুমোদন ছাড়াই প্রতিনিয়ত গাছ পাচার করে যাচ্ছে।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম আজু খাইয়া এলাকায় বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া প্রায় ৫ একরেরও বেশি একটি বাগান থেকে গাছ কেটে পার্শ্ববর্তী করাতকলসহ বিভিন্ন স্থানে পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় পাচারকারী একটি সিন্ডিকেট দল। কয়েকশ শ্রমিক দিয়ে প্রতিদিন দিনের বেলায় গাছ কেটে রাতে বেলায় পাচার করে।

সরজমিন দেখা যায়,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ২৭১ নং তুমর্রু মৌজার ১৯ নং প্লট আজু খাইয়া একটি বাগানে বেশ কিছু শ্রমিক দিয়ে প্রকাশ্য দিনের বেলায় বাগান থেকে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে রাতে বেলা নিয়ে পার্শ্ববর্তী করাতকলসহ বিভিন্ন স্থানে।

Naikhongchari 2

স্থানীয়দের মতে, নাইক্ষ্যংছড়ি বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা ও রেজু বিট কর্মকর্তা কর্মচারীদের জোগসাজে সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে হাজার হাজার ঘনফুট কাঠ পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে। তবে গাছকাটা বাধা দেওয়া হলে আসে হুমকি বা মামলার ভয়। আবার পাচার কারীদের রয়েছে অনুমোদন বিহীন স’মিল।

স্থানীয়রা আরও জানান, নাইক্ষ্যংছড়ি বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তাদের জানানোর পরও তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা।ঘটনাস্থল না এসে বাগানের আশে-পাশে ঘুরেফিরে চলে যায়।আর গাছ পাচার রোধে বন বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নেই কোনো তৎপরতা নেই। তবে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকের উপস্থিতিথি টের পেয়ে পালিয়ে যায় পাচারকারী সিন্ডিকেট এর দল।তার পরেও বহু চেষ্টা করেন তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এদিকে, বন বিভাগের আইন অনুযায়ী,ব্যক্তি মালিকানায় লাগানো বড় গাছ কাটতেও সরকারের অনুমতি নিতে হবে। গাছ কাটা ও পরিবহণে জোত পারমিটের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এসবকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ঘুমধুম ইউনিয়নে আজু খাইয়া এলাকায় বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই একটি বাগান কেটে বিভিন্ন স্থানে পাছার করে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালী ও কাঠ চোরাকারবারীরা।

স্থানীয় জনপ্রতিনিরা জানান, নাইক্ষ্যংছড়ি বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্ত মো: মোজাম্মেল হক সরকার ও রেজু বিট কর্মকর্তার জোগসাজে পাচার কারী সিন্ডিকেটে রয়েছে জাহেদ আলম, নুরুল আলম ভুলু, জসিম উদ্দিন,শাহাব উদ্দিন,আবুল কালাম,আবদুল করিমসহ আরো অনেক। পাচারকারীরা প্রতিদিন দিনের বেলায় প্রকাশ্য বাগান থেকে গাছ কেটে জঙ্গলে মজুদ করে রেখে রাতে বলায় পাশবÍতী স;মিল ও বিভিন্ন স্থানে পাচার করে নিয়ে যায়।অবৈধ কাঠ পাচারে বন বিভাগ জড়িত রয়েছে।সবার সম্পৃক্ততায় অবৈধভাবে কাঠ পাচার হচ্ছে।এভাবেই অবৈধভাবে কাঠ পাচার হতে থাকলে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাবে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ঘুমধুম ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য মো:আবুল কালাম বলেন, প্রতিদিন রাতে ১০ থেকে ১৫ গাড়ী অবৈধ ভাবে গাছ পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি বন বিভাগ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অবহিত করা হলেও ঘটনাস্থ না এসে মুল সড়ক থেকে ঘুরে ফিরে চলে যায়। আবার প্রশাসনকে অবহিত করার কারণে তাকে বিভিন্ন ধরণে হুমকি দিচ্ছেন গাছ পাছারকারীরা।পাচারকারী সিন্ডিকেট এর ভাই ওসি বাবুল আজাদ এর নিদেশে এই বাগান কাটা হচ্ছে এবং বাধা দেওয়া হলে ভয় দেখানো হচ্ছে ওসি বাবুল আজাদের।

নাইক্ষ্যংছড়ি বন বিভাগের রেজ্ঞ কর্মকর্তা মো: মোজাম্মেল হক সরকার বলেন, গাছগুলো কেটে নিয়ে যাচ্ছে বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই। তাদের ইচ্ছা মতে গাছ কাটছে।তবে ঘটনাস্থল থেকে কিছু গাছ জব্দ করা হয়েছে এবং মামলার প্রক্রিয়াদিন রয়েছে। তার মতে, একজন স্টাফ দিয়ে দুর্গম এলাকায় নিন্ত্রয়ন করা সম্ভব না।

এই কর্মকর্তা আরো বলেন, মামলা জনিত কারণে আমাকে বান্দরবান কোটে যেতে হয়েছে।তবে গাছ কাটা বিষয়টি জানার সাথে সাথে রেজু বিট কর্মকর্তদের অবহিত করি এবং ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু গাছ জব্দ করা হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বলে হয়েছে। তবে কার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে লোক গুলো চিহিৃত করা হয়েছে কিনা জানতে ছাইলে রেজ্ঞ কর্মকর্তা বলেন, লোক মুখে শুনেছি তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়া চলছে। গত মাসের ২৮ নভেম্বর এর ঘটনা লামা বিভাগীয় বন কর্মকতাকে না জানিয়ে ৪ ডিসেম্বর জানানো হয়েছে কেন জানতে ছাইলে তিনি কোন উত্তর না দিয়ে তিনি এড়িয়ে যান।

লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছে।এবং ঘটনাস্থ গিয়ে কিছু মালামাল জব্দ করা হয়েছে।তবে যেই বাগান থেকে গাছ কাটা হয়েছে সেই বাগাটি বন বিভাগের নয়। তবে বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশ এর আইন অনুযায়ী যেই কোন গাছ কাটতে হলে বন বিভাগের অনুমতি নিতে হয়।

বাগানে গাছ কাটার কোন ধরণে অনুমতি নেওয়া হয়নি বিষয়টি স্বীকার করে লামা বিভাগী কর্মকর্তা আরো বলেন,অবৈধ ভাবে যারা গাছ কেটেছে ঘটনাস্থল থেকে কিছু কাটা গাছ জব্দ করা হয়েছে।

বিট কর্মকর্তা ও নাইক্ষ্যংছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তার দায়িত্ব নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন-যাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আমাদের জনবল সংকট রয়েছে তার পরেও এলাকায় যারা দায়িত্বে রয়েছে তাদের বলে দেওয়া হয়েছে। কি ভাবে অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা হলো বিষয়টি তদন্ত করে দুষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নীরবেই পাচার হচ্ছে পাহাড়ের গাছ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪

পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবেশের ভারসাম্য,জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার স্বার্থে লাইসেন্স ছাড়া সব ধরনের গাছ কাটা ও পরিবহন নিষিদ্ধ করেছে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়। আইন অনুযায়ী,ব্যক্তি মালিকানায় লাগানো বড় গাছ কাটতেও সরকারের অনুমতি নিতে হবে। তবে চোরাকারবারিরা স্থানীয় প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট দল বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জোগসাজে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অনুমোদন ছাড়াই প্রতিনিয়ত গাছ পাচার করে যাচ্ছে।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম আজু খাইয়া এলাকায় বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া প্রায় ৫ একরেরও বেশি একটি বাগান থেকে গাছ কেটে পার্শ্ববর্তী করাতকলসহ বিভিন্ন স্থানে পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় পাচারকারী একটি সিন্ডিকেট দল। কয়েকশ শ্রমিক দিয়ে প্রতিদিন দিনের বেলায় গাছ কেটে রাতে বেলায় পাচার করে।

সরজমিন দেখা যায়,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ২৭১ নং তুমর্রু মৌজার ১৯ নং প্লট আজু খাইয়া একটি বাগানে বেশ কিছু শ্রমিক দিয়ে প্রকাশ্য দিনের বেলায় বাগান থেকে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে রাতে বেলা নিয়ে পার্শ্ববর্তী করাতকলসহ বিভিন্ন স্থানে।

Naikhongchari 2

স্থানীয়দের মতে, নাইক্ষ্যংছড়ি বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা ও রেজু বিট কর্মকর্তা কর্মচারীদের জোগসাজে সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে হাজার হাজার ঘনফুট কাঠ পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে। তবে গাছকাটা বাধা দেওয়া হলে আসে হুমকি বা মামলার ভয়। আবার পাচার কারীদের রয়েছে অনুমোদন বিহীন স’মিল।

স্থানীয়রা আরও জানান, নাইক্ষ্যংছড়ি বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তাদের জানানোর পরও তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা।ঘটনাস্থল না এসে বাগানের আশে-পাশে ঘুরেফিরে চলে যায়।আর গাছ পাচার রোধে বন বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নেই কোনো তৎপরতা নেই। তবে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকের উপস্থিতিথি টের পেয়ে পালিয়ে যায় পাচারকারী সিন্ডিকেট এর দল।তার পরেও বহু চেষ্টা করেন তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এদিকে, বন বিভাগের আইন অনুযায়ী,ব্যক্তি মালিকানায় লাগানো বড় গাছ কাটতেও সরকারের অনুমতি নিতে হবে। গাছ কাটা ও পরিবহণে জোত পারমিটের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এসবকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ঘুমধুম ইউনিয়নে আজু খাইয়া এলাকায় বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই একটি বাগান কেটে বিভিন্ন স্থানে পাছার করে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালী ও কাঠ চোরাকারবারীরা।

স্থানীয় জনপ্রতিনিরা জানান, নাইক্ষ্যংছড়ি বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্ত মো: মোজাম্মেল হক সরকার ও রেজু বিট কর্মকর্তার জোগসাজে পাচার কারী সিন্ডিকেটে রয়েছে জাহেদ আলম, নুরুল আলম ভুলু, জসিম উদ্দিন,শাহাব উদ্দিন,আবুল কালাম,আবদুল করিমসহ আরো অনেক। পাচারকারীরা প্রতিদিন দিনের বেলায় প্রকাশ্য বাগান থেকে গাছ কেটে জঙ্গলে মজুদ করে রেখে রাতে বলায় পাশবÍতী স;মিল ও বিভিন্ন স্থানে পাচার করে নিয়ে যায়।অবৈধ কাঠ পাচারে বন বিভাগ জড়িত রয়েছে।সবার সম্পৃক্ততায় অবৈধভাবে কাঠ পাচার হচ্ছে।এভাবেই অবৈধভাবে কাঠ পাচার হতে থাকলে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাবে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ঘুমধুম ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য মো:আবুল কালাম বলেন, প্রতিদিন রাতে ১০ থেকে ১৫ গাড়ী অবৈধ ভাবে গাছ পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি বন বিভাগ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অবহিত করা হলেও ঘটনাস্থ না এসে মুল সড়ক থেকে ঘুরে ফিরে চলে যায়। আবার প্রশাসনকে অবহিত করার কারণে তাকে বিভিন্ন ধরণে হুমকি দিচ্ছেন গাছ পাছারকারীরা।পাচারকারী সিন্ডিকেট এর ভাই ওসি বাবুল আজাদ এর নিদেশে এই বাগান কাটা হচ্ছে এবং বাধা দেওয়া হলে ভয় দেখানো হচ্ছে ওসি বাবুল আজাদের।

নাইক্ষ্যংছড়ি বন বিভাগের রেজ্ঞ কর্মকর্তা মো: মোজাম্মেল হক সরকার বলেন, গাছগুলো কেটে নিয়ে যাচ্ছে বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই। তাদের ইচ্ছা মতে গাছ কাটছে।তবে ঘটনাস্থল থেকে কিছু গাছ জব্দ করা হয়েছে এবং মামলার প্রক্রিয়াদিন রয়েছে। তার মতে, একজন স্টাফ দিয়ে দুর্গম এলাকায় নিন্ত্রয়ন করা সম্ভব না।

এই কর্মকর্তা আরো বলেন, মামলা জনিত কারণে আমাকে বান্দরবান কোটে যেতে হয়েছে।তবে গাছ কাটা বিষয়টি জানার সাথে সাথে রেজু বিট কর্মকর্তদের অবহিত করি এবং ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু গাছ জব্দ করা হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বলে হয়েছে। তবে কার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে লোক গুলো চিহিৃত করা হয়েছে কিনা জানতে ছাইলে রেজ্ঞ কর্মকর্তা বলেন, লোক মুখে শুনেছি তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়া চলছে। গত মাসের ২৮ নভেম্বর এর ঘটনা লামা বিভাগীয় বন কর্মকতাকে না জানিয়ে ৪ ডিসেম্বর জানানো হয়েছে কেন জানতে ছাইলে তিনি কোন উত্তর না দিয়ে তিনি এড়িয়ে যান।

লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছে।এবং ঘটনাস্থ গিয়ে কিছু মালামাল জব্দ করা হয়েছে।তবে যেই বাগান থেকে গাছ কাটা হয়েছে সেই বাগাটি বন বিভাগের নয়। তবে বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশ এর আইন অনুযায়ী যেই কোন গাছ কাটতে হলে বন বিভাগের অনুমতি নিতে হয়।

বাগানে গাছ কাটার কোন ধরণে অনুমতি নেওয়া হয়নি বিষয়টি স্বীকার করে লামা বিভাগী কর্মকর্তা আরো বলেন,অবৈধ ভাবে যারা গাছ কেটেছে ঘটনাস্থল থেকে কিছু কাটা গাছ জব্দ করা হয়েছে।

বিট কর্মকর্তা ও নাইক্ষ্যংছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তার দায়িত্ব নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন-যাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আমাদের জনবল সংকট রয়েছে তার পরেও এলাকায় যারা দায়িত্বে রয়েছে তাদের বলে দেওয়া হয়েছে। কি ভাবে অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা হলো বিষয়টি তদন্ত করে দুষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।