শিশু রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার বিচার শুরু ১ জুন
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:১২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর পল্লবী এলাকায় আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।
রোববার (২৪ মে) বিকেলে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক মাসরুর সালেকীন এ আদেশ দেন।
এর আগে একই দিন দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরে চার্জশিট গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠান মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত।
মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় আদালত এলাকায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ-এর প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান।
এর আগে শনিবার মামলার ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে সিআইডি। একই দিন রাষ্ট্রপক্ষ পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (স্পেশাল পিপি) হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয় তার খণ্ডিত মাথা।
ঘটনার পর প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরবর্তীতে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন সোহেল রানা।
রাষ্ট্রীয় খরচে আসামিপক্ষে আইনজীবী নিয়োগ
আলোচিত রামিসা হত্যা মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
রবিবার (২৪ মে) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-জিপি শাখা) থেকে এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।
আদেশ অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রামিসা হত্যা মামলায় শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আসামিপক্ষকে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
মামলাটি পল্লবী থানার মামলার নম্বর-৩৫, তারিখ ২০ মে ২০২৬ থেকে উদ্ভূত। এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২)/৩০ ধারা এবং দণ্ডবিধির ২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের আদেশে আরও বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবী বিধি অনুযায়ী ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।






















