ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘প্রেমালাপ’ ম্যাক্রোঁর, দেখেই ঠাটিয়ে ‘চড়’! ১৫ বছরেই ভারত ‘এ’ দলে বৈভব সূর্যবংশী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বেরোবির নতুন ভিসির নিয়োগ বাতিল হামের বদলে জলাতঙ্কের টিকা প্রয়োগ, ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ মোংলায় নদীতে পড়ে ট্রলার চালক নিখোঁজ, ১৩ ঘণ্টায়ও মেলেনি সন্ধান হামে শিশুমৃত্যুর দায়ীদের শাস্তির দাবি ও মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে ছাত্র ফ্রন্টের বিক্ষোভ অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি সহায়তা দেবে সরকার, আবেদন শুরু বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি অধ্যাপক মামুন অর রশিদ চুরি যাওয়া ১০ লাখ টাকা ও ফোনসহ ফেনী থেকে গ্রেফতার ২ আদমদীঘিতে বসনবুড়ি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

বজ্রপাতে মৃত্যুর পর লাশ চুরির ঘটনা কেন ঘটে? কুসংস্কারই মূল কারণ

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:২০:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বজ্রপাতে মারা যাওয়া সন্তানের লাশ পাহারা দেওয়ার একটি ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এর আগেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তির লাশ চুরির মতো অমানবিক ঘটনার খবর গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।

এই ধরনের ঘটনার পেছনে মূল কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা দেখছেন অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারকে।

‘লাশ চুম্বক হয়ে যায়’—ভিত্তিহীন বিশ্বাস

অনেক এলাকায় প্রচলিত একটি ভুল ধারণা হলো—বজ্রপাতে মারা গেলে মৃতদেহ নাকি “চুম্বকের মতো আকর্ষণ শক্তি” পায় বা শরীরে বিশেষ ধরনের শক্তি থাকে। এই কুসংস্কার থেকেই কিছু মানুষ বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তির লাশ চুরির চেষ্টা করে থাকে।

তবে চিকিৎসা ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সাবেক প্রধান সোহেল মাহমুদ জানিয়েছেন, বজ্রপাত বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃতদেহের মধ্যে কোনো অতিরিক্ত চৌম্বক বা বিশেষ বৈশিষ্ট্য তৈরি হয় না।

তার ভাষায়, বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তির শরীর এবং সাধারণভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়া মানুষের মরদেহের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

সচেতনতার অভাবেই ঘটছে অমানবিকতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রামীণ ও কিছু প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের অভাব ও কুসংস্কারের কারণে এমন ঘটনা ঘটে। ফলে শোকাহত পরিবারের জন্য লাশ পাহারা দেওয়ার মতো বেদনাদায়ক পরিস্থিতি তৈরি হয়।

তারা মনে করেন, বজ্রপাত সম্পর্কিত সচেতনতা বাড়ানো এবং কুসংস্কার দূর করা গেলে এ ধরনের ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বজ্রপাতে মৃত্যুর পর লাশ চুরির ঘটনা কেন ঘটে? কুসংস্কারই মূল কারণ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:২০:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

বজ্রপাতে মারা যাওয়া সন্তানের লাশ পাহারা দেওয়ার একটি ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এর আগেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তির লাশ চুরির মতো অমানবিক ঘটনার খবর গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।

এই ধরনের ঘটনার পেছনে মূল কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা দেখছেন অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারকে।

‘লাশ চুম্বক হয়ে যায়’—ভিত্তিহীন বিশ্বাস

অনেক এলাকায় প্রচলিত একটি ভুল ধারণা হলো—বজ্রপাতে মারা গেলে মৃতদেহ নাকি “চুম্বকের মতো আকর্ষণ শক্তি” পায় বা শরীরে বিশেষ ধরনের শক্তি থাকে। এই কুসংস্কার থেকেই কিছু মানুষ বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তির লাশ চুরির চেষ্টা করে থাকে।

তবে চিকিৎসা ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সাবেক প্রধান সোহেল মাহমুদ জানিয়েছেন, বজ্রপাত বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃতদেহের মধ্যে কোনো অতিরিক্ত চৌম্বক বা বিশেষ বৈশিষ্ট্য তৈরি হয় না।

তার ভাষায়, বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তির শরীর এবং সাধারণভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়া মানুষের মরদেহের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

সচেতনতার অভাবেই ঘটছে অমানবিকতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রামীণ ও কিছু প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের অভাব ও কুসংস্কারের কারণে এমন ঘটনা ঘটে। ফলে শোকাহত পরিবারের জন্য লাশ পাহারা দেওয়ার মতো বেদনাদায়ক পরিস্থিতি তৈরি হয়।

তারা মনে করেন, বজ্রপাত সম্পর্কিত সচেতনতা বাড়ানো এবং কুসংস্কার দূর করা গেলে এ ধরনের ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে।