ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘প্রেমালাপ’ ম্যাক্রোঁর, দেখেই ঠাটিয়ে ‘চড়’! ১৫ বছরেই ভারত ‘এ’ দলে বৈভব সূর্যবংশী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বেরোবির নতুন ভিসির নিয়োগ বাতিল হামের বদলে জলাতঙ্কের টিকা প্রয়োগ, ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ মোংলায় নদীতে পড়ে ট্রলার চালক নিখোঁজ, ১৩ ঘণ্টায়ও মেলেনি সন্ধান হামে শিশুমৃত্যুর দায়ীদের শাস্তির দাবি ও মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে ছাত্র ফ্রন্টের বিক্ষোভ অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি সহায়তা দেবে সরকার, আবেদন শুরু বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি অধ্যাপক মামুন অর রশিদ চুরি যাওয়া ১০ লাখ টাকা ও ফোনসহ ফেনী থেকে গ্রেফতার ২ আদমদীঘিতে বসনবুড়ি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

যশোরে নেতাদের বিরুদ্ধে চোরাচালানের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ দাবি যুবদলের

শহিদুল ইসলাম দইচ, যশোর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৪:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেতাদের বিরুদ্ধে মাদক ও চোরাচালানের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে যশোর জেলা যুবদল। বুধবার (৬ মে) বিকেলে প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনসারুল হক রানা অভিযোগ করেন, একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে যুবদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সম্প্রতি একটি দৈনিক পত্রিকায় জেলা যুবদলের শীর্ষনেতাদের বিরুদ্ধে সোনা চোরাচালান ও মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশ করে। যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে সংবাদ কর্মীদের বলেন, আপনারাও তদন্ত করেন। অভিযোগ সত্য হলে শাস্তি মাথা পেতে নেবেন।

তিনি জানান, বিগত সরকারের আমলে নানা নির্যাতন, হামলা ও মামলার মধ্য দিয়েও জেলা যুবদল দেশ ও জনগণের পাশে থেকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়েছে। সরকার পরিবর্তনের পর কেন্দ্রীয় কমিটি যশোর জেলা যুবদলকে পুনর্গঠন করে। এতে আহ্বায়ক হিসেবে এম তমাল আহমেদ এবং সদস্য সচিব হিসেবে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার কাজ চলছে বলেও দাবি করেন তিনি। এসব অপপ্রচারের পেছনে রয়েছে দল থেকে বহিষ্কৃত নেতা এসকেন্দার ও তার সহযোগীরা। তাদের উদ্দেশ্য যুবদলের ঐক্য বিনষ্ট করা এবং বৃহত্তর রাজনৈতিক শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যুবদলের দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রশ্নই ওঠে না। আমরা কখনো সংগঠনের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হইনি। বরং দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার কারণে তারা ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক কবির হোসেন বাবু, অধ্যাপক আমিনুর রহমান মধু, আরিফুল ইসলাম আরিফ, নগর যুবদলের সদস্য সচিব শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর রায়হান তুহিন,কামরুজ্জামান বিদ্যুৎ,শহিদুল ইসলাম মিলন, আনোয়ার পারভেজসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যশোরে নেতাদের বিরুদ্ধে চোরাচালানের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ দাবি যুবদলের

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৪:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

নেতাদের বিরুদ্ধে মাদক ও চোরাচালানের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে যশোর জেলা যুবদল। বুধবার (৬ মে) বিকেলে প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনসারুল হক রানা অভিযোগ করেন, একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে যুবদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সম্প্রতি একটি দৈনিক পত্রিকায় জেলা যুবদলের শীর্ষনেতাদের বিরুদ্ধে সোনা চোরাচালান ও মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশ করে। যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে সংবাদ কর্মীদের বলেন, আপনারাও তদন্ত করেন। অভিযোগ সত্য হলে শাস্তি মাথা পেতে নেবেন।

তিনি জানান, বিগত সরকারের আমলে নানা নির্যাতন, হামলা ও মামলার মধ্য দিয়েও জেলা যুবদল দেশ ও জনগণের পাশে থেকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়েছে। সরকার পরিবর্তনের পর কেন্দ্রীয় কমিটি যশোর জেলা যুবদলকে পুনর্গঠন করে। এতে আহ্বায়ক হিসেবে এম তমাল আহমেদ এবং সদস্য সচিব হিসেবে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার কাজ চলছে বলেও দাবি করেন তিনি। এসব অপপ্রচারের পেছনে রয়েছে দল থেকে বহিষ্কৃত নেতা এসকেন্দার ও তার সহযোগীরা। তাদের উদ্দেশ্য যুবদলের ঐক্য বিনষ্ট করা এবং বৃহত্তর রাজনৈতিক শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যুবদলের দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রশ্নই ওঠে না। আমরা কখনো সংগঠনের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হইনি। বরং দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার কারণে তারা ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক কবির হোসেন বাবু, অধ্যাপক আমিনুর রহমান মধু, আরিফুল ইসলাম আরিফ, নগর যুবদলের সদস্য সচিব শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর রায়হান তুহিন,কামরুজ্জামান বিদ্যুৎ,শহিদুল ইসলাম মিলন, আনোয়ার পারভেজসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।