অসম-বাংলায় কংগ্রেসের সাফল্য সংখ্যালঘু নির্ভর? নতুন বিতর্ক
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৩২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
অসম ও পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফল ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস-এর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, দলটি ক্রমেই সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে—যদিও এ নিয়ে ভিন্নমতও রয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, অসম ও পশ্চিমবঙ্গ মিলিয়ে মোট ৩৯০টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছে ২১টি আসন। এর মধ্যে ২০ জনই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি এবং মাত্র একজন হিন্দু বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন।
অসমে ১২৬ আসনের মধ্যে ৯৯টিতে প্রার্থী দেয় কংগ্রেস। সেখানে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনগুলোতে দলটি তুলনামূলকভাবে ভালো ফল করলেও অন্যান্য এলাকায় সাফল্য সীমিত ছিল। এ প্রসঙ্গে বদরুদ্দিন আজমল মন্তব্য করেন, কংগ্রেস সংখ্যালঘু রাজনীতিতে অতিরিক্ত ঝুঁকছে, যার প্রভাব আঞ্চলিক দলগুলোর ওপরও পড়ছে।
পশ্চিমবঙ্গেও কংগ্রেসের নির্বাচিত দুই বিধায়কই সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে এসেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যে দলটির প্রাপ্ত ভোটের বড় অংশই এসেছে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা থেকে।
অন্যদিকে কেরালায় কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট তুলনামূলক ভালো ফল করেছে। সেখানে মুসলিম ও খ্রিস্টান ভোটারদের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে। জোটের শরিক ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ-এরও উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের পরিসংখ্যানকে সরলীকৃতভাবে ব্যাখ্যা করা ঠিক নয়। নির্বাচনী ফলাফল সাধারণত একাধিক ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে—স্থানীয় ইস্যু, প্রার্থী নির্বাচন, জোট সমীকরণ এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ তার মধ্যে অন্যতম।
তাদের মতে, কংগ্রেসের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—সব সম্প্রদায়ের মধ্যে সমান গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করা।


























