হাম-পক্সে আক্রান্ত শিশুর জন্য পুষ্টিকর খাদ্য পরামর্শ
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:২২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে
বর্তমানে হাম (হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ) এবং চিকেন পক্সের প্রকোপ বাড়ছে। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকায় পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করাই প্রধান লক্ষ্য।
১. কোন পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়?
*জল ও ইলেকট্রোলাইটস: র্যাশ, জ্বর ও ঘাম থেকে শরীর জল ও খনিজ হারায় → ডিহাইড্রেশন।
*ভিটামিন এ: চোখের সমস্যা ও সংক্রমণ প্রতিরোধে অপরিহার্য।
*প্রোটিন: পেশি ক্ষয় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে।
*ভিটামিন সি ও জ়িঙ্ক: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও ক্ষত নিরাময় বাড়ায়।
২. পুষ্টিকর খাবারের পরামর্শ
স্যুপ ও ডাল:
*৩ চামচ সোনা মুগ ডাল
*গাজর ও পেঁপে কুচি
*সামান্য হলুদ ও ঘি
*সব উপকরণ প্রেশার কুকারে সেদ্ধ, নামানোর আগে ঘি মেশানো
*ফাইবার, প্রোটিন ও ভিটামিনে সমৃদ্ধ
ফল ও ভিটামিন সি:
কমলালেবু, মুসাম্বি, পেয়ারা, বেরি জাতীয় ফল (বেদানা)
ভিটামিন এ সমৃদ্ধ সবজি:
গাজর, মিষ্টি কুমড়ো, পাকা পেঁপে, পালং শাক, লাল শাক
প্রোটিন:
*ডিম, ছোট মাছ (শিঙি, মাগুর, জিওল মাছ)
*চিকেন স্ট্যু (প্রতি বারে ২–৩ টুকরোর বেশি নয়)
হজমে সহজ খাবার:
*দুধ-সুজি, সাবুদানা খিচুড়ি
*ডালিয়া বা সবজি দিয়ে খিচুড়ি
*কলা, সিদ্ধ আপেল, আম চটকে দুপুরে
বাদাম ও শুকনো ফল:
দুধে অ্যালার্জি থাকলে বাদাম, ডুমুর, আখরোট, ব্রাজিল নাট, হেজ়েলনাট, কাজু → ক্যালসিয়াম ও মস্তিষ্কের পুষ্টি
৩. খাওয়ানোর সময়সূচি
*সকাল ১০টা – দুপুর ১টা: ভাত, ডাল, সব্জি
*দুপুর ১টা – বিকেল: কলা, আপেল, আম চটকে
*বিকেল ৪টা – ৫টা: ডালিয়ার খিচুড়ি, ছানা, ছাতু বা সুজির পায়েস
মন্তব্য: একদিনে মাছ, মাংস, ডিম একসাথে দেওয়া ভালো নয়; ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দিতে হবে।
🔹 মূল কথা: হাম বা পক্সে শিশুর শরীর দুর্বল হয়, তাই প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, জ়িঙ্ক ও পর্যাপ্ত জল দেওয়াই প্রধান। ওষুধের পাশাপাশি পুষ্টিকর পথ্যই সুস্থতার মূল চাবিকাঠি।






















