নোনা জলের হ্রদে ইরান যুদ্ধের ‘খেলা ঘোরাচ্ছে’ পুতিন!
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:২১:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
ইরান হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করার পাশাপাশি বিশ্বের বৃহত্তম নোনা জলের হ্রদ কাস্পিয়ান সাগর ব্যবহার করে রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতায় যুদ্ধকৌশল চালাচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য: মার্কিন ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে শক্তি বাড়ানো।
কৌশলগত অবস্থান
কাস্পিয়ান সাগরের তীরে পাঁচটি দেশ অবস্থান করছে: ইরান, রাশিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান। ইরান এই হ্রদ ব্যবহার করে গোপনে রাশিয়ার কাছে অস্ত্র পাঠাচ্ছে। জাহাজের ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ রেখে তেহরান অস্ত্র পরিবহন করছে, ফলে কেউ ঠিক জানে না কখন এবং কোথায় অস্ত্র পৌঁছাচ্ছে।
রাশিয়ার সহায়তা ও অস্ত্র সরবরাহ
*২০২৩ সালে ইরান রাশিয়াকে পাঠায় তিন লক্ষ কামানের গোলা, বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী ড্রোন।
*সাম্প্রতিক সমঝোতার মাধ্যমে রাশিয়া ইরানকে ৫০০ ভের্বাস ক্ষেপণাস্ত্র, ২,৫০০ মধ্যম পাল্লার ভূমি-থেকে-ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র, রাতচশমা (নাইট ভিশন গগল) সরবরাহ করছে।
হুমকি ও পাল্টা কৌশল
*হরমুজ প্রণালী বন্ধের পাশাপাশি লোহিত সাগর সংলগ্ন বাব-এল মান্দেব প্রণালীও বন্ধ করার ছক কষছে ইরান।
*আইআরজিসি ইরান এবং রাশিয়ার সমন্বয়ে মার্কিন ও ইজরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে হামলার সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।
*মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিলেও ইরান মাথা নোয়াচ্ছে না।
সামরিক প্রভাব
*ইরান কাস্পিয়ান সাগরের মাধ্যমে রাশিয়ার উন্নত অস্ত্র ব্যবহার করে হুথি বিদ্রোহীদের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বাড়াচ্ছে।
*এফ-১৫ ইগল ও এফ-৩৫ লাইটনিং যুদ্ধবিমানের বিরুদ্ধে ইরানের সক্ষমতা বাড়ছে, যা যুদ্ধক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের উপর চাপ তৈরি করছে।
সংক্ষেপে: কাস্পিয়ান সাগর এখন ইরান ও রাশিয়ার জন্য একটি গোপন অস্ত্রপাচার লাইফলাইন। হরমুজ প্রণালী ও অন্যান্য কৌশলের সঙ্গে মিলিয়ে এটি পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে।






















