নিত্যপণ্যের দামে ঝড়, রমজানে বাড়তি চাপ ভোক্তাদের
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৩২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
রমজানের শুরুতেই বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। মুরগি, সবজি, ডাল, তেল, খেজুরসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম একযোগে বেড়ে যাওয়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে প্রায় ৫০ টাকা। আগে যেখানে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এখন তা ২২০-২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগি কেজিপ্রতি ৩৫০ টাকা এবং গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৮৫০ টাকায়, যা রোজার আগে ছিল ৭৫০-৭৮০ টাকা।
সবজির বাজারেও অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। ৭-৮ টাকার লেবু এখন প্রতি পিস ২৫-৩০ টাকা, ৭০-৮০ টাকার বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকায় এবং ৫০ টাকার শসা বেড়ে হয়েছে ১১০-১২০ টাকা। আলু ও পেঁপে ছাড়া প্রায় সব সবজির দাম ১০০ টাকার ওপরে। কাঁচা মরিচের দামও বেড়ে কেজিতে ১৬০ টাকায় উঠেছে।
ডালের বাজারেও স্বস্তি নেই। মসুর ডাল কেজিতে ১৪০-১৫০ টাকা এবং মোটা দানার ডাল ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এক বছরে এঙ্কর ডালের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০-৫০ টাকা। এছাড়া দুই কেজির আটার প্যাকেট ১০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১২০ টাকা এবং সয়াবিন তেলের লিটার ১৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও কেজি ৬০ টাকার আশপাশে রয়েছে।
ছোলার বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা রয়েছে। পাইকারিতে ৮০-৮৫ টাকা এবং খুচরায় ৯৫-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, পর্যাপ্ত আমদানি ও সরবরাহ থাকায় এ পণ্যে সংকটের আশঙ্কা নেই।
অন্যদিকে শুল্ক কমানো হলেও খেজুরের বাজারে দাম কমেনি, বরং বেড়েছে। দাবাস খেজুর এখন ৫৫০-৫৭০ টাকা, কালমি ৭০০, সুক্কারি ৮০০ এবং মেডজুল ১২০০-১৫০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রমজান উপলক্ষে প্রয়োজনীয় সব নিত্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহে কোনো বড় ঘাটতি নেই। তবে বাজারে হঠাৎ দাম বৃদ্ধির পেছনে কৃত্রিম সংকট বা অসাধু সিন্ডিকেটের ভূমিকা রয়েছে কি না—তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।





















