ঠাকুরগাঁওয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ২০১ ভোট কেন্দ্র
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৪১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক টানাপোড়েন, আন্দোলন–সংগ্রাম এবং ভোটাধিকার নিয়ে বিতর্কের পর অবশেষে ভোটের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দেশ। রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে যেমন উৎসবের আমেজ, তেমনি রয়েছে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁওয়ের তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ৪১৭টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের আগে ও পরে তিন দিন এসব কেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবেন ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ২২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মাঠে থাকছে সেনাবাহিনীর ১১ প্লাটুন, বিজিবির ৩২ প্লাটুন, র্যাবের ৩ প্লাটুন, পুলিশের ১ হাজার ২৫০ সদস্য এবং ৬ হাজারের বেশি আনসার সদস্য। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এবার নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা বলেন, জেলার ২০১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে প্রথমবারের মতো ব্যাপক পরিসরে ড্রোন ও বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ক্ষমতার পালাবদলের প্রশ্ন। বিএনপি নাকি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট—কে সরকার গঠন করবে, তা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা–সমালোচনা। ভোটের আগের সন্ধ্যায় প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা থাকলেও সাধারণ ভোটারদের অনেকে বলছেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারলেই তারা সন্তুষ্ট।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত চলবে।





















