ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২০ টাকার জন্য ৩০ বছর জেল, মুক্তি মিলল—পরদিন মৃত্যু

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত

বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে পুলিশের কনস্টেবল বাবুভাইকে ২০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ৩০ বছর ধরে মামলার চাপে থাকা সেই প্রৌঢ় সম্প্রতি আদালতে নির্দোষ ঘোষণা পেয়েছেন। কিন্তু এই কলঙ্কমুক্তির ঠিক পরদিনই বাবুভাই মারা গেছেন।

আদালতের রায়ের পর বাবুভাই বলেছিলেন, “কলঙ্ক মুছে গেছে। এখন যদি ঈশ্বর আমায় নিয়ে যান, তাহলেও আমার আর কোনও দুঃখ থাকবে না।” পরিবার জানিয়েছে, মৃত্যুতে কোনও অস্বাভাবিকতা ছিল না।

১৯৯৭ সালে নিম্ন আদালতে চার্জশিট জমা পড়ে, ২০০২ সালে চার্জ গঠন হয় এবং ২০০৪ সালে চার বছরের কারাদণ্ডে বাবুভাইকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এরপর হাই কোর্টে আপিল করে বাবুভাই ২২ বছর ধরে মামলার ঝুলন্ত অবস্থার মধ্যে ছিলেন।

হাই কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, সাক্ষীদের বক্তব্যে বড়সড় অসঙ্গতি ছিল এবং বাদী পক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে।

বাবুভাইয়ের আইনজীবী নিতিন গান্ধী বলেন, “মামলাটি পুরোপুরি সন্দেহের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল। সরকারের পক্ষ থেকে অনেক সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল, সেটার জন্য আবেদন করতে বলেছিলাম। তখনই জানলাম, বাবুভাই চলে গেছেন।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

২০ টাকার জন্য ৩০ বছর জেল, মুক্তি মিলল—পরদিন মৃত্যু

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে পুলিশের কনস্টেবল বাবুভাইকে ২০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ৩০ বছর ধরে মামলার চাপে থাকা সেই প্রৌঢ় সম্প্রতি আদালতে নির্দোষ ঘোষণা পেয়েছেন। কিন্তু এই কলঙ্কমুক্তির ঠিক পরদিনই বাবুভাই মারা গেছেন।

আদালতের রায়ের পর বাবুভাই বলেছিলেন, “কলঙ্ক মুছে গেছে। এখন যদি ঈশ্বর আমায় নিয়ে যান, তাহলেও আমার আর কোনও দুঃখ থাকবে না।” পরিবার জানিয়েছে, মৃত্যুতে কোনও অস্বাভাবিকতা ছিল না।

১৯৯৭ সালে নিম্ন আদালতে চার্জশিট জমা পড়ে, ২০০২ সালে চার্জ গঠন হয় এবং ২০০৪ সালে চার বছরের কারাদণ্ডে বাবুভাইকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এরপর হাই কোর্টে আপিল করে বাবুভাই ২২ বছর ধরে মামলার ঝুলন্ত অবস্থার মধ্যে ছিলেন।

হাই কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, সাক্ষীদের বক্তব্যে বড়সড় অসঙ্গতি ছিল এবং বাদী পক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে।

বাবুভাইয়ের আইনজীবী নিতিন গান্ধী বলেন, “মামলাটি পুরোপুরি সন্দেহের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল। সরকারের পক্ষ থেকে অনেক সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল, সেটার জন্য আবেদন করতে বলেছিলাম। তখনই জানলাম, বাবুভাই চলে গেছেন।”