ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ভারত ম্যাচ বর্জন, তবে বিশ্বকাপ ছাড়ছে না পাকিস্তান—কেন এই কৌশল?

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:১০:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। যদিও পুরো টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঝুঁকি নেয়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। আইসিসির কঠোর শাস্তির আশঙ্কায় বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখলেও, শুধুমাত্র ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

পাকিস্তান সরকার ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের সঙ্গে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলবে না তারা। ফলে ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণ দেখিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার পর পাকিস্তানের অবস্থান নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। অনেকে ধারণা করেছিলেন, বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তান পুরো বিশ্বকাপ থেকেই সরে দাঁড়াতে পারে। তবে আইসিসির নিষেধাজ্ঞা ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একঘরে হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সেই পথে হাঁটেনি পিসিবি।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি আগেই বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘অন্যায়’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। আইসিসির বিভিন্ন ভোটাভুটিতেও বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল পাকিস্তান।

বিশ্বকাপে পাকিস্তান নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে বলে জানিয়েছে পিসিবি। বিশ্লেষকদের মতে, তুলনামূলক সহজ এই দুই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলেই পরের রাউন্ডে যাওয়ার পথ খোলা রাখতে চাইছে পাকিস্তান। ভারতের বিপক্ষে সাম্প্রতিক সময়ে দুর্বল পারফরম্যান্সও এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি কারণ হতে পারে বলে মত ক্রিকেট বিশ্লেষকদের।

সম্পূর্ণ বিশ্বকাপ বয়কট করলে পাকিস্তানকে আইসিসির কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ, এশিয়া কাপসহ বড় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। পাশাপাশি পাকিস্তান সুপার লিগেও বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হতে পারে, যা দেশটির ক্রিকেটের আর্থিক কাঠামোর জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াবে।

তবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কোনো ম্যাচ বয়কট করা হলে আইসিসি কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়, সে দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভারত ম্যাচ বর্জন, তবে বিশ্বকাপ ছাড়ছে না পাকিস্তান—কেন এই কৌশল?

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:১০:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। যদিও পুরো টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঝুঁকি নেয়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। আইসিসির কঠোর শাস্তির আশঙ্কায় বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখলেও, শুধুমাত্র ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

পাকিস্তান সরকার ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের সঙ্গে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলবে না তারা। ফলে ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণ দেখিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার পর পাকিস্তানের অবস্থান নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। অনেকে ধারণা করেছিলেন, বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তান পুরো বিশ্বকাপ থেকেই সরে দাঁড়াতে পারে। তবে আইসিসির নিষেধাজ্ঞা ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একঘরে হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সেই পথে হাঁটেনি পিসিবি।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি আগেই বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘অন্যায়’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। আইসিসির বিভিন্ন ভোটাভুটিতেও বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল পাকিস্তান।

বিশ্বকাপে পাকিস্তান নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে বলে জানিয়েছে পিসিবি। বিশ্লেষকদের মতে, তুলনামূলক সহজ এই দুই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলেই পরের রাউন্ডে যাওয়ার পথ খোলা রাখতে চাইছে পাকিস্তান। ভারতের বিপক্ষে সাম্প্রতিক সময়ে দুর্বল পারফরম্যান্সও এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি কারণ হতে পারে বলে মত ক্রিকেট বিশ্লেষকদের।

সম্পূর্ণ বিশ্বকাপ বয়কট করলে পাকিস্তানকে আইসিসির কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ, এশিয়া কাপসহ বড় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। পাশাপাশি পাকিস্তান সুপার লিগেও বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হতে পারে, যা দেশটির ক্রিকেটের আর্থিক কাঠামোর জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াবে।

তবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কোনো ম্যাচ বয়কট করা হলে আইসিসি কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়, সে দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহল।