ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

‘আর কষ্ট দেব না মা’—একটি বাক্যে থেমে গেল জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাজমীন ছিল কেবল ২০ বছরের কিশোরী, কিডনি রোগে আক্রান্ত। ছোট্ট শরীরের মধ্যে চরম যন্ত্রণার মাঝেও সে মা-বাবার মুখে হাসি দেখানোর চেষ্টা করত।

ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি, চিকিৎসার খরচ বোঝা তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে মাকে বলল, “মা, তোমাদের আর কষ্ট দিব না।” সেই কথার কিছুক্ষণ পরই চলে গেল এক ফাঁকা জায়গার মাঝ দিয়ে—এক মুহূর্তের শ্বাসে জীবনের সমস্ত কষ্ট শেষ হয়ে গেল।

তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ল পরিবারের চারপাশে। স্তব্ধ হয়ে রইল হাসপাতালের হলওয়েট। চোখের কোণে একটি অদৃশ্য প্রশ্ন: জীবনের কতটা মূল্য দিই আমরা একে অপরের জন্য?

নাজমীনের গল্প শুধু ব্যথা নয়—এটা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সহানুভূতি, সহযোগিতা আর ছোট্ট মানবিক কদমগুলোই কখনও কখনও কারো জীবনের বড় আশা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে নাজমীনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‘আর কষ্ট দেব না মা’—একটি বাক্যে থেমে গেল জীবন

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

নাজমীন ছিল কেবল ২০ বছরের কিশোরী, কিডনি রোগে আক্রান্ত। ছোট্ট শরীরের মধ্যে চরম যন্ত্রণার মাঝেও সে মা-বাবার মুখে হাসি দেখানোর চেষ্টা করত।

ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি, চিকিৎসার খরচ বোঝা তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে মাকে বলল, “মা, তোমাদের আর কষ্ট দিব না।” সেই কথার কিছুক্ষণ পরই চলে গেল এক ফাঁকা জায়গার মাঝ দিয়ে—এক মুহূর্তের শ্বাসে জীবনের সমস্ত কষ্ট শেষ হয়ে গেল।

তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ল পরিবারের চারপাশে। স্তব্ধ হয়ে রইল হাসপাতালের হলওয়েট। চোখের কোণে একটি অদৃশ্য প্রশ্ন: জীবনের কতটা মূল্য দিই আমরা একে অপরের জন্য?

নাজমীনের গল্প শুধু ব্যথা নয়—এটা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সহানুভূতি, সহযোগিতা আর ছোট্ট মানবিক কদমগুলোই কখনও কখনও কারো জীবনের বড় আশা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে নাজমীনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।