ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজ

কলেজের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ, তদন্তের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৩২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভুঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, কলেজের সুনাম ও সম্মানহানি ঘটানোর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অধ্যক্ষ বলেন, “সম্প্রতি কিছু স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কলেজের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করছে। এসব তথ্যের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। আমাদের কলেজ ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার মানদণ্ড বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক-কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন।”

তিনি আরও বলেন, মোনায়েম সরকার ও লাল মামুদ সরকার নামে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কিছু পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। এসব মিথ্যা সংবাদ শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে প্রমাণ সংগ্রহ করছে এবং তদন্তের পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অধ্যক্ষ সতর্ক করেছেন, “কোনো অভিযোগ থাকলে তা সরাসরি কলেজ প্রশাসনের কাছে উত্থাপন করতে হবে। গুজব ও অপপ্রচারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করা কাম্য নয়।”

এ বিষয়ে শিক্ষক মোনায়েম সরকার জানিয়েছেন, কলেজের একাধিক অভিযোগ ও সংবাদ প্রচারে শিক্ষকেরা ভুল তথ্য দিয়ে থাকেন। তার দাবি, প্রকৃত সত্য যাচাই করলে মিথ্যা প্রমাণের চেষ্টা উন্মোচিত হবে। অভিযুক্ত শিক্ষক লোকমান হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজ

কলেজের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ, তদন্তের নির্দেশ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

ভুঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, কলেজের সুনাম ও সম্মানহানি ঘটানোর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অধ্যক্ষ বলেন, “সম্প্রতি কিছু স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কলেজের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করছে। এসব তথ্যের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। আমাদের কলেজ ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার মানদণ্ড বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক-কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন।”

তিনি আরও বলেন, মোনায়েম সরকার ও লাল মামুদ সরকার নামে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কিছু পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। এসব মিথ্যা সংবাদ শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে প্রমাণ সংগ্রহ করছে এবং তদন্তের পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অধ্যক্ষ সতর্ক করেছেন, “কোনো অভিযোগ থাকলে তা সরাসরি কলেজ প্রশাসনের কাছে উত্থাপন করতে হবে। গুজব ও অপপ্রচারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করা কাম্য নয়।”

এ বিষয়ে শিক্ষক মোনায়েম সরকার জানিয়েছেন, কলেজের একাধিক অভিযোগ ও সংবাদ প্রচারে শিক্ষকেরা ভুল তথ্য দিয়ে থাকেন। তার দাবি, প্রকৃত সত্য যাচাই করলে মিথ্যা প্রমাণের চেষ্টা উন্মোচিত হবে। অভিযুক্ত শিক্ষক লোকমান হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।