ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা প্রদানের অধ্যাদেশ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এরপর রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানান, এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কার্যাবলির জন্য কোনো ফৌজদারি দায় আর গণ-অভ্যুত্থানকারীদের ওপর আরোপ করা হবে না।

তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “যদি কোনো মামলা হয়ে থাকে, তবে তা প্রত্যাহার করা হবে এবং নতুন কোনো মামলা আর করা যাবে না।” তবে হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর ঘটনার ক্ষেত্রে মানবাধিকার কমিশন নির্ধারণ করবে, কোনটি রাজনৈতিক প্রতিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং কোনটি ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত। কমিশনের তদন্ত রিপোর্ট আদালতে পুলিশ রিপোর্টের মতোই গ্রহণযোগ্য হবে।

আইন উপদেষ্টা বলেন, “যে কার্যক্রম রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে সংঘটিত হয়েছে, তার জন্য কোনো দায়দায়িত্ব আর থাকবে না।” অধ্যাদেশটি আগামী পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গেজেট জারির মাধ্যমে আইনে পরিণত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা প্রদানের অধ্যাদেশ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এরপর রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানান, এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কার্যাবলির জন্য কোনো ফৌজদারি দায় আর গণ-অভ্যুত্থানকারীদের ওপর আরোপ করা হবে না।

তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “যদি কোনো মামলা হয়ে থাকে, তবে তা প্রত্যাহার করা হবে এবং নতুন কোনো মামলা আর করা যাবে না।” তবে হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর ঘটনার ক্ষেত্রে মানবাধিকার কমিশন নির্ধারণ করবে, কোনটি রাজনৈতিক প্রতিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং কোনটি ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত। কমিশনের তদন্ত রিপোর্ট আদালতে পুলিশ রিপোর্টের মতোই গ্রহণযোগ্য হবে।

আইন উপদেষ্টা বলেন, “যে কার্যক্রম রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে সংঘটিত হয়েছে, তার জন্য কোনো দায়দায়িত্ব আর থাকবে না।” অধ্যাদেশটি আগামী পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গেজেট জারির মাধ্যমে আইনে পরিণত হবে।