ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

গত তিন নির্বাচনে ভোটার আস্থাহীনতার চিত্র

৮০ ভাগ ভোটার ভোট দেননি, অনেকের ভোট অন্য কেউ দিয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের আস্থা বেশিসংখ্যক হ্রাস পেয়েছে। এই তিন নির্বাচনের অনিয়ম ও দুর্নীতি যাচাই করতে গঠিত তদন্ত কমিশন সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদনের মাধ্যমে ফলাফল তুলে ধরেছে।

২০১৪ সালের নির্বাচন:

ভোট না দেওয়া ভোটার: ৮১.৮২%

ভোট না দেওয়ার প্রধান কারণ: ২৯.৮৭% ভোট অন্য কেউ দিয়েছে, ২৮.৫৭% নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারানো

নির্বাচনের অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া: ৮৮.৫৭% ভোটার মনে করেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি

নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা: যথাক্রমে ৮৭.৩২% ও ৮৪.০৫% ভোটার একদমই নিরপেক্ষ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন

২০১৮ সালের নির্বাচন:

ভোট না দেওয়া ভোটার: ৮৪%

ভোট না দেওয়ার প্রধান কারণ: ৪৫% ভোট অন্য কেউ দিয়েছে, ৩২% নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারানো

ভোটের অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া: ৯০–৯৩% ভোটার মনে করেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি

কমিশন ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা: ৯০–৯৩% ভোটার একদমই নিরপেক্ষ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন

অনিয়ম দূর করার প্রস্তাব: ৭১.৯৫% ভোটার বলেছেন নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন

২০২৪ সালের নির্বাচন:

ভোট না দেওয়া ভোটার: ৮৮.৭৩%

ভোট না দেওয়ার প্রধান কারণ: ৫৫.৫৬% ভোট অন্য কেউ দিয়েছে, ৩০.১৬% নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারানো

নির্বাচনের অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া: ৯২% ভোটার একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি মনে করছেন

কমিশন ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা: ৯২% ভোটার একদমই নিরপেক্ষ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন

অনিয়ম দূর করার প্রস্তাব: প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা, নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করা, ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় আনা, নির্বাচনী আইন সংস্কার, নির্বাচনী অনিয়মের সঠিক তদন্ত ও বিচার, যোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল—এই বিষয়গুলো ভোটারদের মূল দাবি।

সারসংক্ষেপ:

তিন নির্বাচনে প্রায় ৮০–৮৮% ভোটার ভোট দেননি।

ভোটারদের প্রায় অর্ধেকের ভোট বুথে পৌঁছানোর আগেই অন্য কেউ দিয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও নির্বাচনের সুষ্ঠুতায় জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে কমেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গত তিন নির্বাচনে ভোটার আস্থাহীনতার চিত্র

৮০ ভাগ ভোটার ভোট দেননি, অনেকের ভোট অন্য কেউ দিয়েছে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের আস্থা বেশিসংখ্যক হ্রাস পেয়েছে। এই তিন নির্বাচনের অনিয়ম ও দুর্নীতি যাচাই করতে গঠিত তদন্ত কমিশন সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদনের মাধ্যমে ফলাফল তুলে ধরেছে।

২০১৪ সালের নির্বাচন:

ভোট না দেওয়া ভোটার: ৮১.৮২%

ভোট না দেওয়ার প্রধান কারণ: ২৯.৮৭% ভোট অন্য কেউ দিয়েছে, ২৮.৫৭% নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারানো

নির্বাচনের অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া: ৮৮.৫৭% ভোটার মনে করেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি

নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা: যথাক্রমে ৮৭.৩২% ও ৮৪.০৫% ভোটার একদমই নিরপেক্ষ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন

২০১৮ সালের নির্বাচন:

ভোট না দেওয়া ভোটার: ৮৪%

ভোট না দেওয়ার প্রধান কারণ: ৪৫% ভোট অন্য কেউ দিয়েছে, ৩২% নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারানো

ভোটের অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া: ৯০–৯৩% ভোটার মনে করেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি

কমিশন ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা: ৯০–৯৩% ভোটার একদমই নিরপেক্ষ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন

অনিয়ম দূর করার প্রস্তাব: ৭১.৯৫% ভোটার বলেছেন নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন

২০২৪ সালের নির্বাচন:

ভোট না দেওয়া ভোটার: ৮৮.৭৩%

ভোট না দেওয়ার প্রধান কারণ: ৫৫.৫৬% ভোট অন্য কেউ দিয়েছে, ৩০.১৬% নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারানো

নির্বাচনের অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া: ৯২% ভোটার একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি মনে করছেন

কমিশন ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা: ৯২% ভোটার একদমই নিরপেক্ষ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন

অনিয়ম দূর করার প্রস্তাব: প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা, নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করা, ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় আনা, নির্বাচনী আইন সংস্কার, নির্বাচনী অনিয়মের সঠিক তদন্ত ও বিচার, যোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল—এই বিষয়গুলো ভোটারদের মূল দাবি।

সারসংক্ষেপ:

তিন নির্বাচনে প্রায় ৮০–৮৮% ভোটার ভোট দেননি।

ভোটারদের প্রায় অর্ধেকের ভোট বুথে পৌঁছানোর আগেই অন্য কেউ দিয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও নির্বাচনের সুষ্ঠুতায় জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে কমেছে।