নির্বাচনে ‘কাঙ্খিত রাজনৈতিক সম্পদ’ আওয়ামী ভোট
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:১৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
গণ-অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতা হারানো আওয়ামী লীগ এখন নিষিদ্ধ। শীর্ষ নেতৃত্ব পলাতক বা কারাবন্দী। তবু আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের ভোটাররা প্রতিদ্বন্দ্বী সব দলের জন্য মূল টার্গেট হয়ে উঠেছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের সক্রিয় সব দল—বিএনপি, জামায়াতে ইসলামি, জাতীয় পার্টি—আওয়ামী লীগকে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার দায়ে নির্বাচনের বাইরে রাখতে একমত। তবে মাঠের রাজনীতি ভিন্ন চিত্র呈 করছে। দল নিষিদ্ধ হলেও ভোটারদের টানতে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো মরিয়া।
প্রার্থী মনোনয়ন, সামাজিক পুনর্মিলন এবং স্থানীয় সমঝোতার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সমর্থক ভোটারদের টানার চেষ্টা চলছে। বিএনপি, জামায়াত উভয়ই সংখ্যালঘু ভোটার টানার কৌশল নিয়েছে। জামায়াত এবার সংখ্যালঘুদের অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি গঠন ও প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। বিএনপি একই পথে হাঁটছে।
রাজনীতিবিদরা বলছেন, ভোটারদের সিদ্ধান্ত একরকম হবে না। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি প্রার্থী, স্থানীয় পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় ভোট প্রদানের সম্ভাবনা রয়েছে।
ইতিহাসে দেখা গেছে, বাংলাদেশের নির্বাচন রাজনীতিতে সংখ্যার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। আদর্শ ও নৈতিক অবস্থান প্রায়ই পিছনে পড়ে। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভোট ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন বিতর্কিত হওয়ায় প্রকৃত ভোটের হিসাব অস্পষ্ট।
গণ-অভ্যুত্থানের পর দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় এবং শীর্ষ নেতৃত্ব পলাতক বা কারাবন্দী থাকায়, নীরব ভোটাররাই এখন নির্বাচনী অঙ্কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য দল সমর্থক টানতে যে প্রতিযোগিতা করছে, তা নির্বাচনী উত্তেজনা তীব্র করবে। এই টানাটানি শেষ পর্যন্ত ভোটে সংখ্যার হিসাবের দিকে গিয়ে মিলিত হবে, যেমন পূর্বে মুসলিম লীগ ও জাতীয় পার্টির ক্ষেত্রে দেখা গেছে।





















