ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

সিলেট বিভাগে ‘লাল’ভোটকেন্দ্র ৩৬২টি

সিলেট ব্যুরো
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৩:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৫ বার পড়া হয়েছে

পুরনো ছবি

বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেট বিভাগে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সিলেট বিভাগের চার জেলায় দুই হাজার ৬৪১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৬২টিকে ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ বা লাল হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরমধ্যে শুধু সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকায়ই রয়েছে ৯৭টি ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ কেন্দ্র রয়েছে।

সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান জানান, ভোটকেন্দ্রের অবস্থান, ভোটারের সংখ্যা, দুর্গমতা, সীমান্তঘেঁষা এলাকা এবং সম্ভাব্য রাজনৈতিক উত্তেজনার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগের চার জেলার ২ হাজার ৬৪১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে- ৩৬২টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ, ৮৯৮টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১ হাজার ৩৮১টি সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, সিলেট মহানগরীসহ ৪১টি উপজেলা, ৩৪০টি ইউনিয়ন ও ১৯টি পৌরসভা মিলিয়ে মোট ভোটার দাঁড়িয়েছে ৯১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৬ জন। বিভাগের চার জেলার মধ্যে সিলেট জেলায় ভোটার ৩১ লাখ ১৩ হাজার ৩৯৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১৬ লাখ ২৪ হাজার ৯৭০ জন, মহিলা ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৪০৮ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১৮ জন।

সুনামগঞ্জ জেলায় বর্তমানে ভোটার সংখ্যা ২২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৩ জন। পুরুষ ভোটার ১১ লাখ ৭৭ হাজার ৭২৬ জন, মহিলা ভোটার ১০ লাখ ৯৬ হাজার ৩৪৪ জন ও হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৩৩ জন।

মৌলভীবাজার জেলায় মোট ভোটার ১৭ লাখ ৭২ হাজার ৬৮৮ জন। পুরুষ ভোটার রয়েছেন ৯ লাখ ১৯ হাজার ৮১৩ জন ও মহিলা ভোটার ৮ লাখ ৫২ হাজার ৮৬৭ জন। এই জেলায় হিজড়া ভোটার সংখ্যা ৮ জন। এছাড়া হবিগঞ্জ জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২০ লাখ ৭ হাজার ৮৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ লাখ ৩২ হাজার ৩৪৫ জন, মহিলা ভোটার ৯ লাখ ৭৫ হাজার ৫০৬ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ২৮ জন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অতি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বডিঅর্ন ক্যামেরা রাখা হবে। যাতে কোনো ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কেন্দ্রে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হলে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য বডিঅর্ন ক্যামেরায় তার ভিডিও ধারণ করবেন। এই ভিডিও ফুটেজ ডিজিটাল অ্যাভিডেন্স হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে। যাতে পরে যে কোনো তদন্তে ব্যবহার করা যায়। অতি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোয় সর্বনিম্ন তিনজন পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১৩ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এই ১৩ জনের মধ্যে ৩ জন থাকবেন অস্ত্রসহ আর বাকি ১০ জন থাকবেন অস্ত্র ছাড়া। অস্ত্রবিহীন ১০ জনের মধ্যে ৬ জন থাকবেন পুরুষ আর ৪ জন থাকবেন নারী। এর বাইরে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরাসহ বিভিন্ন বাহিনী ভোটকেন্দ্রের বাইরে নজরদারিসহ সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে।

সিলেটের সচেতন নাগরিকরা আশা করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান প্রস্তুতি ও তৎপরতার মধ্যে সিলেটবাসী একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপভোগ করবে। তাদের মতে, একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কেবল গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই প্রদর্শন করে না, এটি জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। নির্বাচনের সুষ্ঠু আয়োজন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এ পরিবেশ তৈরি করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

তাদের দাবি, কোনো প্রকার ভয়ভীতি, প্রভাব বিস্তার, সহিংসতা বা অনিয়ম ছাড়া নির্বাচন সম্পন্ন হলে তবেই জনগণের রায় প্রকৃত অর্থে প্রতিফলিত হবে। এই ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদিচ্ছা ও পেশাদারিত্ব আস্থার একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলতে পারে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, ‘মেট্রোপলিটন এলাকায় মোট ২৯৪টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। তার মধ্যে ৯৭টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ, ১৩২টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৬৫টি সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা ভোটকেন্দ্রগুলোকে লাল, হলুদ ও সবুজ চিহ্নিত করেছি। এই শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ীই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।’

নির্বাচনী নিরাপত্তায় প্রযুক্তির ব্যবহার প্রসঙ্গে ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান বলেন, অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে বডি অর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা ভিডিও ধারণ করবেন। এসব ভিডিও পরবর্তী তদন্তে ডিজিটাল প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে।’

তিনি আরও জানান, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সিলেট বিভাগের চার জেলার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে সেই অনুযায়ী কাজ চলমান রয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

সিলেট বিভাগে ‘লাল’ভোটকেন্দ্র ৩৬২টি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৩:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেট বিভাগে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সিলেট বিভাগের চার জেলায় দুই হাজার ৬৪১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৬২টিকে ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ বা লাল হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরমধ্যে শুধু সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকায়ই রয়েছে ৯৭টি ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ কেন্দ্র রয়েছে।

সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান জানান, ভোটকেন্দ্রের অবস্থান, ভোটারের সংখ্যা, দুর্গমতা, সীমান্তঘেঁষা এলাকা এবং সম্ভাব্য রাজনৈতিক উত্তেজনার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগের চার জেলার ২ হাজার ৬৪১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে- ৩৬২টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ, ৮৯৮টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১ হাজার ৩৮১টি সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, সিলেট মহানগরীসহ ৪১টি উপজেলা, ৩৪০টি ইউনিয়ন ও ১৯টি পৌরসভা মিলিয়ে মোট ভোটার দাঁড়িয়েছে ৯১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৬ জন। বিভাগের চার জেলার মধ্যে সিলেট জেলায় ভোটার ৩১ লাখ ১৩ হাজার ৩৯৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১৬ লাখ ২৪ হাজার ৯৭০ জন, মহিলা ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৪০৮ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১৮ জন।

সুনামগঞ্জ জেলায় বর্তমানে ভোটার সংখ্যা ২২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৩ জন। পুরুষ ভোটার ১১ লাখ ৭৭ হাজার ৭২৬ জন, মহিলা ভোটার ১০ লাখ ৯৬ হাজার ৩৪৪ জন ও হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৩৩ জন।

মৌলভীবাজার জেলায় মোট ভোটার ১৭ লাখ ৭২ হাজার ৬৮৮ জন। পুরুষ ভোটার রয়েছেন ৯ লাখ ১৯ হাজার ৮১৩ জন ও মহিলা ভোটার ৮ লাখ ৫২ হাজার ৮৬৭ জন। এই জেলায় হিজড়া ভোটার সংখ্যা ৮ জন। এছাড়া হবিগঞ্জ জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২০ লাখ ৭ হাজার ৮৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ লাখ ৩২ হাজার ৩৪৫ জন, মহিলা ভোটার ৯ লাখ ৭৫ হাজার ৫০৬ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ২৮ জন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অতি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বডিঅর্ন ক্যামেরা রাখা হবে। যাতে কোনো ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কেন্দ্রে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হলে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য বডিঅর্ন ক্যামেরায় তার ভিডিও ধারণ করবেন। এই ভিডিও ফুটেজ ডিজিটাল অ্যাভিডেন্স হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে। যাতে পরে যে কোনো তদন্তে ব্যবহার করা যায়। অতি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোয় সর্বনিম্ন তিনজন পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১৩ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এই ১৩ জনের মধ্যে ৩ জন থাকবেন অস্ত্রসহ আর বাকি ১০ জন থাকবেন অস্ত্র ছাড়া। অস্ত্রবিহীন ১০ জনের মধ্যে ৬ জন থাকবেন পুরুষ আর ৪ জন থাকবেন নারী। এর বাইরে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরাসহ বিভিন্ন বাহিনী ভোটকেন্দ্রের বাইরে নজরদারিসহ সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে।

সিলেটের সচেতন নাগরিকরা আশা করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান প্রস্তুতি ও তৎপরতার মধ্যে সিলেটবাসী একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপভোগ করবে। তাদের মতে, একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কেবল গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই প্রদর্শন করে না, এটি জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। নির্বাচনের সুষ্ঠু আয়োজন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এ পরিবেশ তৈরি করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

তাদের দাবি, কোনো প্রকার ভয়ভীতি, প্রভাব বিস্তার, সহিংসতা বা অনিয়ম ছাড়া নির্বাচন সম্পন্ন হলে তবেই জনগণের রায় প্রকৃত অর্থে প্রতিফলিত হবে। এই ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদিচ্ছা ও পেশাদারিত্ব আস্থার একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলতে পারে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, ‘মেট্রোপলিটন এলাকায় মোট ২৯৪টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। তার মধ্যে ৯৭টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ, ১৩২টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৬৫টি সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা ভোটকেন্দ্রগুলোকে লাল, হলুদ ও সবুজ চিহ্নিত করেছি। এই শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ীই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।’

নির্বাচনী নিরাপত্তায় প্রযুক্তির ব্যবহার প্রসঙ্গে ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান বলেন, অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে বডি অর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা ভিডিও ধারণ করবেন। এসব ভিডিও পরবর্তী তদন্তে ডিজিটাল প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে।’

তিনি আরও জানান, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সিলেট বিভাগের চার জেলার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে সেই অনুযায়ী কাজ চলমান রয়েছে।’