ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৪৫ ফুট মাটি খুড়েও শিশু সাজিদের অস্তিত্ব মেলেনি

অনলাইন ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৬ বার পড়া হয়েছে

মাটি খনন করে চলছে উদ্ধার কার্যক্রম

বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীতে মাটির গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ। এমন তথ্য জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন) লে. কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে চলমান উদ্ধার অভিযান নিয়ে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, ৪৫ ফুট পর্যন্ত খনন করেও শিশুটির কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। শিশুটি যে গর্তে পড়েছে, সেটির ব্যাস খুবই সরু। এছাড়া মাটি এঁটেল ও দোআঁশ প্রকৃতির হওয়ায় তাকে সরাসরি ওই গর্ত থেকে বের করে আনা সম্ভব হচ্ছে না। তাই পাশাপাশি সমান্তরাল গর্ত করে শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’

তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, মাটি ও খড় আটকে থাকায় এ অবস্থায় অক্সিজেন পাঠিয়ে লাভ নেই। তাই অক্সিজেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

শিশুটির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে কি না জানতে চাইলে তাজুল ইসলাম বলেন, আপনারা যা ধারণা করছেন, আমরাও সেটা ধারণা করছি। এখন আল্লাহ চাইলে সবকিছু হতে পারে। এখন প্রতি ১০ ফুট অন্তর গর্ত খুঁড়ে শিশুটিকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আরও গভীরে খনন করার জন্য এস্কেভেটর দিয়ে মাটি দূরে সরিয়ে মাটির ভারসাম্য (ব্যালেন্স) রক্ষা করা হচ্ছে, যাতে ওপর থেকে মাটি নিচে ধসে না পড়ে। নিরাপত্তার স্বার্থে এসব কারিগরি দিক বিবেচনায় কাজে কিছুটা ধীরগতি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৪৫ ফুট মাটি খুড়েও শিশু সাজিদের অস্তিত্ব মেলেনি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজশাহীতে মাটির গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ। এমন তথ্য জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন) লে. কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে চলমান উদ্ধার অভিযান নিয়ে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, ৪৫ ফুট পর্যন্ত খনন করেও শিশুটির কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। শিশুটি যে গর্তে পড়েছে, সেটির ব্যাস খুবই সরু। এছাড়া মাটি এঁটেল ও দোআঁশ প্রকৃতির হওয়ায় তাকে সরাসরি ওই গর্ত থেকে বের করে আনা সম্ভব হচ্ছে না। তাই পাশাপাশি সমান্তরাল গর্ত করে শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’

তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, মাটি ও খড় আটকে থাকায় এ অবস্থায় অক্সিজেন পাঠিয়ে লাভ নেই। তাই অক্সিজেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

শিশুটির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে কি না জানতে চাইলে তাজুল ইসলাম বলেন, আপনারা যা ধারণা করছেন, আমরাও সেটা ধারণা করছি। এখন আল্লাহ চাইলে সবকিছু হতে পারে। এখন প্রতি ১০ ফুট অন্তর গর্ত খুঁড়ে শিশুটিকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আরও গভীরে খনন করার জন্য এস্কেভেটর দিয়ে মাটি দূরে সরিয়ে মাটির ভারসাম্য (ব্যালেন্স) রক্ষা করা হচ্ছে, যাতে ওপর থেকে মাটি নিচে ধসে না পড়ে। নিরাপত্তার স্বার্থে এসব কারিগরি দিক বিবেচনায় কাজে কিছুটা ধীরগতি হচ্ছে।