ঝুঁকিপূর্ণ মাটির ঘরে পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:০২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫ ২৩ বার পড়া হয়েছে
জয়পুরহাটের কালাইয়ে দীঘির হাট নিম্ন মাধ্যামিক বিদ্যালয়ে বৃষ্টির পানি, বাতাস ঢুকে পড়েছে শ্রেনী কক্ষের ভিতরে। বাঁশের ঠেকনা দিয়ে রাখা হয়েছে মাটির দেয়াল। যেকোনে মুহূর্তে ধসে পড়তে পাড়ে বিদ্যালয় অবকাঠামো। এমন ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিতে হচ্ছ শিক্ষকের ক্লাস আর অভিভাবক রয়েছেন উৎকণ্ঠায়।
জানা গেছে, দীঘির হাট নিম্ন মাধ্যামিক বিদ্যালয়টি স্থানীয় বিদ্যুৎসায়ী ব্যাক্তিবর্গের আন্তরিক প্রচেষ্ঠায় ১৯৯৮ হাজার সালে প্রতিষ্ঠিত হয়্। উদেশ্য এই প্রান্তিক এলাকার অবেহেলিত এলাকাবাসির শিক্ষার প্রসার,ঝরে পরারোধ,বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ সচেতন সমাজ গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষায় অনগ্রসর এলাকাবাসির শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে বিদ্যালটি স্থাপন করা হয়। এরপর বিদ্যালটি ২ হাজার সালে পাঠদানের অনুমতি পান। নানা চড়াই-উৎরাই পেড়িয়ে ওই এলাকার অবহেলিত এলাকাবাসির বিদ্যালটি ২০১৯ সালে এমপিও ভুক্ত হন। বর্তমানে বিদ্যালটি অবকাঠামো অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। এ অবস্থায় এলাকাবাসি, অভিভাবক, শিক্ষক,শিক্ষার্থীর দাবি সরকার দ্রত উন্নত একটি ভবন নির্মাণ স্থ্াপনসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন সু নজর দিবেন।
দীঘির হাট নিম্ন মাধ্যামিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুইটি আক্তার, আফরিন, হাসি আখতার, বিথি, আরাফাত, মাজেদ, জান্নাতুন রিফাসহ অনেকে জানান, তাদের বিদ্যালয়ে বৃষ্টির সময় বৃষ্টির পানি পড়ে,মাটির দেয়ালে ফাঁকা দিয়ে বাতাস ঢুকে শ্রেনী কক্ষের ভিতরে। যেকোন সময় ফ্যান ঝুলে পড়তে পারে। তাদের এলাকা থেকে দূরে অন্য স্কুল থাকেলেও যাতায়াতের টাকা এবং সময় বেশি লাগার কারনে তাদের কষ্ট করেই জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ক্লাস করতে হচ্ছে।
দীঘির হাট নিম্ন মাধ্যামিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম বলেন, বিদ্যালটির মাটির দেয়াল এবং কাঠ, বাশ টিন এমন জরার্জীণ অবস্থা যে কোন মূর্হুতে একটা দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই সরকারের কাছে দাবি করছি দ্রত আমদের এ স্কুলে একটি ভবন নির্মাণ করার জন্য।
কালাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শামিমা আক্তার জাহান বলেন, দীঘির হাট নিম্ন মাধ্যামিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাকে ওই বিদ্যালয়ের বিষয়ে অবগত করেছেন। আমি বিষটি নিয়ে জেলা প্রশাসক মহেদয়কে অবগত করেছি।






















