পাকিস্তান থেকে আসা চালানে মিলল ২৫ হাজার কেজি
পাখির খাদ্যের আড়ালে নিষিদ্ধ পপি বীজ আমদানি
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:০০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫ ৩২ বার পড়া হয়েছে
পাখির খাদ্যের নামে পাকিস্তান থেকে আসা এক চালানে চট্টগ্রাম বন্দরে ধরা পড়েছে প্রায় ২৫ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পপি বীজ। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।
প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা বাজার মূল্যের এই চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স আদিব ট্রেডিং। চালানটিতে পাখির খাদ্যের নামে মোট ৩২ হাজার ১০ কেজি পণ্য ছিল। এর মধ্যে নিষিদ্ধ পপির বীজ পাওয়া যায় ২৪ হাজার ৯৬০ কেজি।
বন্দর কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পণ্যচালানের ক্ষেত্রে কন্টেইনারের দরজার পাশে শুরুর দিকে ৭ হাজার ২০০ কেজি বার্ড ফুড দিয়ে ওই ২৪ হাজার ৯৬০ কেজি পপি বীজ ঢেকে রেখে কৌশলে অবৈধভাবে আমদানি করার অপচেষ্টা করা হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া পপি বীজের নমুনা চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ দপ্তর, সমুদ্র বন্দর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যানোপ্রযুক্তি সেন্টার এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে ভৌত ও রাসায়নিক পরীক্ষা করা হয়। আমদানিকারক মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবং অফডক কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে পণ্য চালানটি কায়িক পরীক্ষা করা হয়।
উদ্ভিদ সংগনিরোধ দপ্তর, চট্টগ্রাম এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব হতে ভৌত ও রাসায়নিক পরীক্ষার প্রতিবেদনে ওই পণ্য দুইটির মধ্যে একটি পণ্যকে পপি বীজ হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
পপি বীজ অঙ্কুরোদগম উপযোগী হলে তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুসারে ‘ক’ শ্রেণির মাদক হিসেবে বিবেচিত। আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর অনুচ্ছেদ ৩ (১) (খ) অনুসারে আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় ১৫নং ক্রমিকে পপি বীজকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং আমদানি নিষিদ্ধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর বিধান মতে মিথ্যা ঘোষণায় নিষিদ্ধ পপি বীজ আমদানি করায় কাস্টমস আইন, ২০২৩ এর বিধান মোতাবেক পণ্যচালানটি কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম কর্তৃক আটক করা হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।
উল্লেখ্য, আলোচ্য পণ্যচালানটির ঘোষিত মূল্য ছিল ৩০ লাখ ২ হাজার ৪৮২ টাকা। কিন্তু কায়িক পরীক্ষণে প্রাপ্ত পণ্যের বাজার মূল্য প্রায় ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা।






















