ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নওগাঁয় জমিজমা নিয়ে বিরোধে ছুরিকাঘাতে হত্যা

নওগাঁ প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:২২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫ ১৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নওগাঁ সদরের দুবলহাটিতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গোলাম (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৫ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে চা স্টল থেকে বাড়ি ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গোলাম মালঞ্চি গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, চা পান শেষে বাড়ি ফেরার পথে হারুন (৫০), তার ছেলে অন্তর (২২) ও আরও কয়েকজন যুবক ধারালো অস্ত্র নিয়ে গোলামের ওপর হামলা চালায়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নওগাঁ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শাহরিয়ার আহমেদ বলেন, “বুকের ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।”

স্থানীয়দের ভাষ্য, জমিজমা সংক্রান্ত একটি মামলার কাগজপত্র যাচাইকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনার জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়।

ঘটনার পর স্থানীয়রা হামলাকারী হারুনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

নওগাঁ সদর থানার ওসি নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “আটক হারুন পুলিশ হেফাজতে আছে, অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নিহতের পরিবারের দাবি, এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—তারা জড়িতদের ফাঁসির দাবি করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নওগাঁয় জমিজমা নিয়ে বিরোধে ছুরিকাঘাতে হত্যা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:২২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

নওগাঁ সদরের দুবলহাটিতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গোলাম (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৫ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে চা স্টল থেকে বাড়ি ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গোলাম মালঞ্চি গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, চা পান শেষে বাড়ি ফেরার পথে হারুন (৫০), তার ছেলে অন্তর (২২) ও আরও কয়েকজন যুবক ধারালো অস্ত্র নিয়ে গোলামের ওপর হামলা চালায়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নওগাঁ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শাহরিয়ার আহমেদ বলেন, “বুকের ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।”

স্থানীয়দের ভাষ্য, জমিজমা সংক্রান্ত একটি মামলার কাগজপত্র যাচাইকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনার জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়।

ঘটনার পর স্থানীয়রা হামলাকারী হারুনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

নওগাঁ সদর থানার ওসি নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “আটক হারুন পুলিশ হেফাজতে আছে, অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নিহতের পরিবারের দাবি, এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—তারা জড়িতদের ফাঁসির দাবি করেছেন।