ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বুড়ির বাঁধে মাছ ধরার উৎসব

রুবেল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:০৩:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঠাকুরগাঁওয়ের বুড়ির বাঁধে মাছ ধরা উৎসব মাতেন। একবছর পর বাধের পানি ছেড়ে দেয়ায় জেলেরাসহ শত শত উৎসুক জনতা মাছ শিকারে নামেন।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) ভোড় থেকে জেলা সদরের বুড়ির বাঁধ এলাকায় মাছ ধরা উৎসবে মিলিত হন। স্থানীয় জেলেরা ছাড়াও উৎসুক জনতা ফিকা জাল, টানা জাল, খেলই, খেয়া জালসহ সব ধরনের সরঞ্জাম নিয়ে হাজির হয় সবাই। তবে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেও কাঙ্খিত মাছ না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরেছেন সবাই।

1000164550

স্থানীয় জেলেসহ মাছ শিকার করতে আসা মানুষেরা অভিযোগ করে বলেন, একবছর পর বিলের পানি ছেড়ে দিলেও তেমন মাছ পাওয়া যায়নি। শুধুমাত্র অব্যবস্থাপনার কারনে। মাছ তো একবছর আগেই ধরে রাখা পানিতে ছেড়েছিল মৎস্য বিভাগ। মাছ ছাড়ার পর দেখভাল না করার কারনে রিংজাল বসিয়ে মাছ ধরে ফেলেছে। সেন কারনেই পানি ছেড়ে দিলেও মাছ পাওয়া যায়নি। তা না হলে দেশিয় প্রজাতির ব্যাপক মাছ পাওয়া যেতো। এখন কয়েক বছর ধরে এই জলাশয়ে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ১৯৫১-৫২ সালের দিকে শুষ্ক মৌসুমে এ অঞ্চলের কৃষি জমির সেচ সুবিধার জন্য সদর উপজেলার আকচা ও চিলারং ইউনিয়নের সীমানায় শুক নদীতে বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

বুড়ির বাঁধে আটকে থাকা পানিতে প্রতিবছর মৎস্য অধিদপ্তর বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা ছাড়ে। আর এই সময়টাতে বাধের পানি ছেড়ে দিলে মাছ উৎসবে মাতেন সবাই।

এ উপলক্ষে বাধের আশপাশে মন্ডা মিঠাইয়ের দোকান প্রসরা সাজিয়ে বসায় বাড়তি উৎসবের সৃস্টি হয়।

এ বিষয়ে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খাইরুল ইসলাম জানান, জলাশয়ে মাছ ছাড়ার পর থেকে কিছু অসাধু ব্যাক্তি রিংজাল দিয়ে মাধ ধরার চেস্টা করে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে জাল উদ্ধার করে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তবে শুধু প্রশাসসনিক তৎপরতা নয় স্থানীয়দেরকেও ভুমিকা পালন করতে হবে। তাহলেই মাছ ধরা উৎসবের সফলতা মিলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বুড়ির বাঁধে মাছ ধরার উৎসব

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:০৩:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

ঠাকুরগাঁওয়ের বুড়ির বাঁধে মাছ ধরা উৎসব মাতেন। একবছর পর বাধের পানি ছেড়ে দেয়ায় জেলেরাসহ শত শত উৎসুক জনতা মাছ শিকারে নামেন।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) ভোড় থেকে জেলা সদরের বুড়ির বাঁধ এলাকায় মাছ ধরা উৎসবে মিলিত হন। স্থানীয় জেলেরা ছাড়াও উৎসুক জনতা ফিকা জাল, টানা জাল, খেলই, খেয়া জালসহ সব ধরনের সরঞ্জাম নিয়ে হাজির হয় সবাই। তবে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেও কাঙ্খিত মাছ না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরেছেন সবাই।

1000164550

স্থানীয় জেলেসহ মাছ শিকার করতে আসা মানুষেরা অভিযোগ করে বলেন, একবছর পর বিলের পানি ছেড়ে দিলেও তেমন মাছ পাওয়া যায়নি। শুধুমাত্র অব্যবস্থাপনার কারনে। মাছ তো একবছর আগেই ধরে রাখা পানিতে ছেড়েছিল মৎস্য বিভাগ। মাছ ছাড়ার পর দেখভাল না করার কারনে রিংজাল বসিয়ে মাছ ধরে ফেলেছে। সেন কারনেই পানি ছেড়ে দিলেও মাছ পাওয়া যায়নি। তা না হলে দেশিয় প্রজাতির ব্যাপক মাছ পাওয়া যেতো। এখন কয়েক বছর ধরে এই জলাশয়ে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ১৯৫১-৫২ সালের দিকে শুষ্ক মৌসুমে এ অঞ্চলের কৃষি জমির সেচ সুবিধার জন্য সদর উপজেলার আকচা ও চিলারং ইউনিয়নের সীমানায় শুক নদীতে বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

বুড়ির বাঁধে আটকে থাকা পানিতে প্রতিবছর মৎস্য অধিদপ্তর বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা ছাড়ে। আর এই সময়টাতে বাধের পানি ছেড়ে দিলে মাছ উৎসবে মাতেন সবাই।

এ উপলক্ষে বাধের আশপাশে মন্ডা মিঠাইয়ের দোকান প্রসরা সাজিয়ে বসায় বাড়তি উৎসবের সৃস্টি হয়।

এ বিষয়ে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খাইরুল ইসলাম জানান, জলাশয়ে মাছ ছাড়ার পর থেকে কিছু অসাধু ব্যাক্তি রিংজাল দিয়ে মাধ ধরার চেস্টা করে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে জাল উদ্ধার করে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তবে শুধু প্রশাসসনিক তৎপরতা নয় স্থানীয়দেরকেও ভুমিকা পালন করতে হবে। তাহলেই মাছ ধরা উৎসবের সফলতা মিলবে।