ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শর্ত চাপিয়ে নতুন দাবি নেতানিয়াহুর

গাজ়া থেকে পুরো সেনা প্রত্যাহার হবে না!

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫ ৪৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজ়া থেকে সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ইসরায়েল। তবে সব সেনা সরিয়ে নেওয়া হবে না! শুক্রবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে এমনই জানালেন ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। কেন পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করবে না ইসরায়েল, তা-ও জানান তিনি। তাঁর দাবি, প্যালেস্টাইনপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস নিরস্ত্র না-হওয়া পর্যন্ত গাজ়ায় ইসরায়েলি সেনা থাকবে। হামাসের উপর চাপ সৃষ্টি করতেই এই পদক্ষেপ, জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী।

গাজ়ায় শান্তি ফেরানোর জন্য ২০ দফা প্রস্তাব দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই প্রস্তাব নেতানিয়াহু এবং হামাসকে দেখানো হয়েছিল। যুযুধান দুই পক্ষই ট্রাম্পের প্রস্তাবের প্রথম দফার শর্তে রাজি হয়েছে। পণবন্দিদের ইসরায়েলে ফেরানোর পরিবর্তে নেতানিয়াহু মুক্তি দেবেন ইসরায়েলের জেলে বন্দি প্যালেস্টাইনিদের। এ ছাড়া, গাজ়া থেকে সেনাও প্রত্যাহার করে নেবেন। আপাতত এই চুক্তি অনুযায়ী কাজ শুরু হয়েছে।

তবে সব সেনা প্রত্যাহার করা হবে না! ইসরায়েল মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এমনই জানালেন নেতানিয়াহু। তিনি আশ্বাস দেন, আগামী দিনে সব পণবন্দি ফিরে আসবেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা শান্তিপ্রস্তাবে কোনও প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান অনেকেই।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকেই ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত চলছে। গাজ়ায় যে যুদ্ধ চলছে, তাতে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। অনেকেই পণবন্দি। ইসরায়েল এবং হামাস— দুই পক্ষই পণবন্দিদের মুক্তির দাবি জানিয়ে আসছে। দ্বিতীয় বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই ইসরায়েল-হামাস সংঘাত বন্ধের কথা বলে আসছিলেন ট্রাম্প। যদিও এত দিন কোনও রফাসূত্র বার হয়নি। তার পরেই সম্প্রতি হামাসকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ২০ দফা প্রস্তাব দেন!

ইসরায়েল ট্রাম্পের প্রস্তাবে সায় দিলেও ‘নীরব’ ছিল হামাস। পরে তারা ট্রাম্পের প্রস্তাব আংশিক সমর্থন করে। তবে ট্রাম্পের শর্ত মেনে নিলেও সম্পূর্ণ প্রস্তাবে এখনও রাজি হয়নি হামাস। ফলে এখনও জট পুরো কাটেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শর্ত চাপিয়ে নতুন দাবি নেতানিয়াহুর

গাজ়া থেকে পুরো সেনা প্রত্যাহার হবে না!

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজ়া থেকে সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ইসরায়েল। তবে সব সেনা সরিয়ে নেওয়া হবে না! শুক্রবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে এমনই জানালেন ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। কেন পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করবে না ইসরায়েল, তা-ও জানান তিনি। তাঁর দাবি, প্যালেস্টাইনপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস নিরস্ত্র না-হওয়া পর্যন্ত গাজ়ায় ইসরায়েলি সেনা থাকবে। হামাসের উপর চাপ সৃষ্টি করতেই এই পদক্ষেপ, জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী।

গাজ়ায় শান্তি ফেরানোর জন্য ২০ দফা প্রস্তাব দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই প্রস্তাব নেতানিয়াহু এবং হামাসকে দেখানো হয়েছিল। যুযুধান দুই পক্ষই ট্রাম্পের প্রস্তাবের প্রথম দফার শর্তে রাজি হয়েছে। পণবন্দিদের ইসরায়েলে ফেরানোর পরিবর্তে নেতানিয়াহু মুক্তি দেবেন ইসরায়েলের জেলে বন্দি প্যালেস্টাইনিদের। এ ছাড়া, গাজ়া থেকে সেনাও প্রত্যাহার করে নেবেন। আপাতত এই চুক্তি অনুযায়ী কাজ শুরু হয়েছে।

তবে সব সেনা প্রত্যাহার করা হবে না! ইসরায়েল মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এমনই জানালেন নেতানিয়াহু। তিনি আশ্বাস দেন, আগামী দিনে সব পণবন্দি ফিরে আসবেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা শান্তিপ্রস্তাবে কোনও প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান অনেকেই।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকেই ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত চলছে। গাজ়ায় যে যুদ্ধ চলছে, তাতে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। অনেকেই পণবন্দি। ইসরায়েল এবং হামাস— দুই পক্ষই পণবন্দিদের মুক্তির দাবি জানিয়ে আসছে। দ্বিতীয় বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই ইসরায়েল-হামাস সংঘাত বন্ধের কথা বলে আসছিলেন ট্রাম্প। যদিও এত দিন কোনও রফাসূত্র বার হয়নি। তার পরেই সম্প্রতি হামাসকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ২০ দফা প্রস্তাব দেন!

ইসরায়েল ট্রাম্পের প্রস্তাবে সায় দিলেও ‘নীরব’ ছিল হামাস। পরে তারা ট্রাম্পের প্রস্তাব আংশিক সমর্থন করে। তবে ট্রাম্পের শর্ত মেনে নিলেও সম্পূর্ণ প্রস্তাবে এখনও রাজি হয়নি হামাস। ফলে এখনও জট পুরো কাটেনি।