ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাউফলে জামায়াত প্রার্থীর মিছিলে বিএনপির হামলা, ওসির প্রত্যাহার দাবি নির্বাচনী প্রচারণা ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ, ভোট ১২ তারিখ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা এনডিইউবি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল ইংলিশ বিচার ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার নাহিদ ইসলামের টাঙ্গাইলে শহীদ জগলুর ৩৯তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত নির্বাচনে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি, সর্বোচ্চ হাজার টাকা পাঠানো যাবে মাতৃত্ব সুরক্ষায় ছয় মাসের বেতনসহ ছুটি দেবে বিএনপি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নতুন দিকনির্দেশনা দিল ইসলামী আন্দোলন দেশে প্রথম এমভিএনওভিত্তিক ট্রিপল প্লে সেবা চালু করল বিটিসিএল

রাজধানীতে প্রতিমা বিসর্জন হবে যেসব ঘাটে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫ ৬৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার (২ আক্টোবর)। এদিন দেবিদুর্গা ফিরে যাবেন কৈলাশে (স্বামীর বাড়ি)। এবছর রাজধানীর ২৫৪টি পূজামণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন হবে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদীর ১০টি ঘাটে।

ঘাটগুলো হলো- বিনা স্মৃতি স্নান ঘাট, ওয়াইজ ঘাট, নবাববাড়ি ঘাট, লালকুঠি ঘাট, তুরাগের ধউর ঘাট, মিল ব্যারাক ঘাট, পোস্তগোলা শ্মশান ঘাট, আমিনবাজার ব্রিজ ঘাট, বসিলা ব্রিজ ঘাট ও বালু নদের কয়েতপাড়া ঘাট। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিমা বিসর্জন হবে বিনা স্মৃতি স্নান ঘাট, ওয়াইজ ঘাট ও নবাববাড়ি ঘাটে।

জানা গেছে, বিসর্জন শোভাযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঘাটগুলোকে আনা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়। স্ট্যান্ডবাই থাকবে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সোয়াত, বোম ডিসপজাল ও কে-নাইন।

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে মোতায়েন থাকবে সাড়ে ৪ হাজার পুলিশ সদস্য। এ ছাড়াও অতিরিক্ত আরও প্রায় ২ হাজার ৪০০ ফোর্স মোতায়েন থাকবে।

পুলিশের পাশাপাশি প্রতিমা বিসর্জনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে র‌্যাবও। ৯৪টি টহল টিমের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও নিয়োজিত থাকবে তারা। সদর দফতরসহ প্রতিটি ব্যাটালিয়নে কন্ট্রোল রুম থেকে মনিটরিং করা হবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

র‌্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান বলেন, ‘গুজবকারীর বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব। আর যদি কোনো ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় আসে, সেটাও অনুসন্ধন করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এ ছাড়া মাঠে রোবাস্ট প্যাট্রলিংয়ে থাকবে পর্যাপ্ত সেনা সদস্য। ঘাটে ঘাটে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেবে বিজিবি। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, ‘ভবিষ্যতেও আশা করি আমরা সাম্য এবং সৌহার্দের মধ্যদিয়ে যে যার মতো যার যার ধর্মীয় উৎসব সুন্দরভাবে পালন করতে পারব।’

প্রতিমা বিসর্জনের সময় নৌকাডুবি রোধে তৎপর থাকবে নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিস। বুড়িগঙ্গায় নৌ পুলিশের ছয়টি ট্রলার বোট, দুটি ওয়াটার বাইক, দুটি স্পিডবোট টহলে থাকবে। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে করা হবে মাইকিং। রাখা হবে টহল, ডুবুরি ও মেডিকেল টিম।

কোস্টগার্ড মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেন, ‘বিসর্জনের সময় যাতে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে বা যদি ঘটেও যায়, তারপরও যাতে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারি–আমাদের ডুবুরি দল আছে, আমাদের বোট টিম সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য নিয়োজিত থাকবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজধানীতে প্রতিমা বিসর্জন হবে যেসব ঘাটে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার (২ আক্টোবর)। এদিন দেবিদুর্গা ফিরে যাবেন কৈলাশে (স্বামীর বাড়ি)। এবছর রাজধানীর ২৫৪টি পূজামণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন হবে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদীর ১০টি ঘাটে।

ঘাটগুলো হলো- বিনা স্মৃতি স্নান ঘাট, ওয়াইজ ঘাট, নবাববাড়ি ঘাট, লালকুঠি ঘাট, তুরাগের ধউর ঘাট, মিল ব্যারাক ঘাট, পোস্তগোলা শ্মশান ঘাট, আমিনবাজার ব্রিজ ঘাট, বসিলা ব্রিজ ঘাট ও বালু নদের কয়েতপাড়া ঘাট। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিমা বিসর্জন হবে বিনা স্মৃতি স্নান ঘাট, ওয়াইজ ঘাট ও নবাববাড়ি ঘাটে।

জানা গেছে, বিসর্জন শোভাযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঘাটগুলোকে আনা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়। স্ট্যান্ডবাই থাকবে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সোয়াত, বোম ডিসপজাল ও কে-নাইন।

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে মোতায়েন থাকবে সাড়ে ৪ হাজার পুলিশ সদস্য। এ ছাড়াও অতিরিক্ত আরও প্রায় ২ হাজার ৪০০ ফোর্স মোতায়েন থাকবে।

পুলিশের পাশাপাশি প্রতিমা বিসর্জনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে র‌্যাবও। ৯৪টি টহল টিমের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও নিয়োজিত থাকবে তারা। সদর দফতরসহ প্রতিটি ব্যাটালিয়নে কন্ট্রোল রুম থেকে মনিটরিং করা হবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

র‌্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান বলেন, ‘গুজবকারীর বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব। আর যদি কোনো ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় আসে, সেটাও অনুসন্ধন করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এ ছাড়া মাঠে রোবাস্ট প্যাট্রলিংয়ে থাকবে পর্যাপ্ত সেনা সদস্য। ঘাটে ঘাটে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেবে বিজিবি। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, ‘ভবিষ্যতেও আশা করি আমরা সাম্য এবং সৌহার্দের মধ্যদিয়ে যে যার মতো যার যার ধর্মীয় উৎসব সুন্দরভাবে পালন করতে পারব।’

প্রতিমা বিসর্জনের সময় নৌকাডুবি রোধে তৎপর থাকবে নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিস। বুড়িগঙ্গায় নৌ পুলিশের ছয়টি ট্রলার বোট, দুটি ওয়াটার বাইক, দুটি স্পিডবোট টহলে থাকবে। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে করা হবে মাইকিং। রাখা হবে টহল, ডুবুরি ও মেডিকেল টিম।

কোস্টগার্ড মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেন, ‘বিসর্জনের সময় যাতে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে বা যদি ঘটেও যায়, তারপরও যাতে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারি–আমাদের ডুবুরি দল আছে, আমাদের বোট টিম সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য নিয়োজিত থাকবে।’