কোন চাপে সরে গেলেন তামিম ইকবাল?
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫ ৭১ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন। তার সরে যাওয়ায় ক্রিকেট অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন কার চাপে নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ালেন তামিম?
এবার বিসিবির নির্বাচনে বোর্ড প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে ছিলেন তামিম ইকবাল। তার মূল লড়াইটা ছিল বর্তমান বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সঙ্গে।
বিসিবি সভাপতি পদে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে তার নাম আলোচনায় এলেও, শেষ মুহূর্তে তার সরে দাঁড়ানো জন্ম দিয়েছে নানা প্রশ্নের। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কাউন্সিলর জানান, তামিম পরিচালক হয়ে সভাপতি পদে লড়লে সহজেই আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে পরাজিত করে বিসিবির নতুন সভাপতি হতে পারতেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তামিমের শক্তিশালী উপস্থিতির কারণে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতির চেয়ার অনিশ্চিত হয়ে পড়ায়, একটি মহল থেকে তামিমকে চাপ প্রয়োগ করে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, আমিনুলকে জেতাতে সরকারের একটি মহল সক্রিয় ছিল। প্রথমে তারা হাইকোর্টের মাধ্যমে তামিম যে ক্লাবের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন (ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাব) সেই ক্লাবসহ ১৫টি ক্লাবের বিসিবি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এই নিষেধাজ্ঞা তামিমের নির্বাচনের পথকে কঠিন করে তোলে।
তামিম-আমিনুলের মুখোমুখি হওয়া শুরু হয় গত ২১ সেপ্টেম্বর, যখন এক প্রেস কনফারেন্সে তামিম বর্তমান বোর্ড প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বিরুদ্ধে একটি চিঠি ইস্যুকে কেন্দ্র করে ‘গঠনতন্ত্রবিরোধী’ অভিযোগ তোলেন।
মঙ্গলবার হাইকোর্টের রায়ের পর থেকেই তামিমের মনোনয়ন প্রত্যাহারের গুঞ্জন শুরু হয়েছিল, যা আজ সত্যি হলো।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর তামিম ইকবাল বলেন, ‘এ নির্বাচন কালো দাগ হয়ে গেল। এটাকে আসলে কোনো দিক থেকেই ইলেকশন বলা যাবে না।’
তিনি আরও যোগ করেন, এ নোংরামির সঙ্গে আমরা কোনোভাবেই পার্ট রাখতে পারি না। বাংলাদেশ ক্রিকেটের ফ্যানরা এটা ডিজার্ভ করে না… এটা স্পষ্ট, কারা কী ধরনের বলপ্রয়োগ করেছে, কীভাবে করেছে। অনেকে অনেকভাবে জিততে পারেন, কিন্তু আমি বলব ক্রিকেট হেরে গেছে।
নির্বাচনের ‘ফিক্সিং’ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা বলেন, ক্রিকেটের ফিক্সিং বন্ধ করতে হবে। কিন্তু সবার আগে প্রয়োজন, নির্বাচনের ফিক্সিং বন্ধ করা।’
























