ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মির্জাপুরে মেয়ে থেকে ছেলে রূপান্তরিত, এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি মাভাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম‎ জামালপুরে স্টার ব্রিকস ইটভাটা গুড়িয়ে দিলো পরিবেশ অধিদপ্তর অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘প্রেমালাপ’ ম্যাক্রোঁর, দেখেই ঠাটিয়ে ‘চড়’! ১৫ বছরেই ভারত ‘এ’ দলে বৈভব সূর্যবংশী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বেরোবির নতুন ভিসির নিয়োগ বাতিল হামের বদলে জলাতঙ্কের টিকা প্রয়োগ, ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ মোংলায় নদীতে পড়ে ট্রলার চালক নিখোঁজ, ১৩ ঘণ্টায়ও মেলেনি সন্ধান হামে শিশুমৃত্যুর দায়ীদের শাস্তির দাবি ও মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে ছাত্র ফ্রন্টের বিক্ষোভ অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি সহায়তা দেবে সরকার, আবেদন শুরু

সেন্টমার্টিনে ট্রলার ডুবি, ছাত্রলীগ নেতা নিখোঁজ

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৩৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪ ২২০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার পথে বঙ্গোপসাগরের গোলারচর মোহনায় ফিশিং ট্রলার ডুবির ঘটনায় এক ছাত্রলীগ নেতা নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় ১১ জন উদ্ধার হলেও উদ্ধার তৎপরতা বিরোধ নিয়ে কোস্টগার্ডের চৌকিতে হামলা, ভাঙচুর চালিয়েছে দ্বীপবাসী। এ ঘটনায় কোস্টগার্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। বুধবার (২৪ জুলাই) রাত ৮ টা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি বলে দ্বীপের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এর আগে বুধবার (২৪ জুলাই) দুপুর আড়াই টার দিকে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার পথে বঙ্গোপসাগরের গোলারচর মোহনায় এফবি সাদ্দাম নামের একটি ফিশিং ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে।

সেন্টমার্টিন সার্ভিস বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, ৬৫ দিন মাছ ধরার সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে সেন্টমার্টিনের সাদ্দাম হোসেনের মালিকাধীন এফবি সাদ্দাম টেকনাফ ঘাটে ছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর ট্রলারটি সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা দেয়। এসময় সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ট্রলারটিতে ৬ জন যাত্রী ওঠে। একই সাথে ট্রলারটিতে ছিলো ছয় জেলে। ১২ জনের ট্রলারটি দুপুর আড়াই টার দিকে শাহপরীরদ্বীপ অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরের গোলারচর মোহনায় পৌঁছালে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে ডুবে যায়।

এদিকে, ট্রলার ডুবির পর উদ্ধার তৎপরতার জের ধরে কোস্টগার্ডের সঙ্গে সেন্টমার্টিনবাসীর উত্তেজনা তৈরি হয়। সেন্টমার্টিন থেকে কয়েকজন বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধিরা জানান, ট্রলার ডুবির পর কোস্টগার্ডকে অবহিত করা হলে তারা উদ্ধার তৎপরতায় সাগরে নামেননি। দ্বীপবাসী সার্ভিস বোট ও ফিশিং ট্রলারে উদ্ধারে যাওয়ার আগেই বাধা দেন।

এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, কোস্টগার্ডের সঙ্গে দ্বীপবাসী একটি উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ফাঁকাগুলি বর্ষণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সেন্টমার্টিনে ট্রলার ডুবি, ছাত্রলীগ নেতা নিখোঁজ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৩৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪

টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার পথে বঙ্গোপসাগরের গোলারচর মোহনায় ফিশিং ট্রলার ডুবির ঘটনায় এক ছাত্রলীগ নেতা নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় ১১ জন উদ্ধার হলেও উদ্ধার তৎপরতা বিরোধ নিয়ে কোস্টগার্ডের চৌকিতে হামলা, ভাঙচুর চালিয়েছে দ্বীপবাসী। এ ঘটনায় কোস্টগার্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। বুধবার (২৪ জুলাই) রাত ৮ টা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি বলে দ্বীপের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এর আগে বুধবার (২৪ জুলাই) দুপুর আড়াই টার দিকে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার পথে বঙ্গোপসাগরের গোলারচর মোহনায় এফবি সাদ্দাম নামের একটি ফিশিং ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে।

সেন্টমার্টিন সার্ভিস বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, ৬৫ দিন মাছ ধরার সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে সেন্টমার্টিনের সাদ্দাম হোসেনের মালিকাধীন এফবি সাদ্দাম টেকনাফ ঘাটে ছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর ট্রলারটি সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা দেয়। এসময় সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ট্রলারটিতে ৬ জন যাত্রী ওঠে। একই সাথে ট্রলারটিতে ছিলো ছয় জেলে। ১২ জনের ট্রলারটি দুপুর আড়াই টার দিকে শাহপরীরদ্বীপ অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরের গোলারচর মোহনায় পৌঁছালে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে ডুবে যায়।

এদিকে, ট্রলার ডুবির পর উদ্ধার তৎপরতার জের ধরে কোস্টগার্ডের সঙ্গে সেন্টমার্টিনবাসীর উত্তেজনা তৈরি হয়। সেন্টমার্টিন থেকে কয়েকজন বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধিরা জানান, ট্রলার ডুবির পর কোস্টগার্ডকে অবহিত করা হলে তারা উদ্ধার তৎপরতায় সাগরে নামেননি। দ্বীপবাসী সার্ভিস বোট ও ফিশিং ট্রলারে উদ্ধারে যাওয়ার আগেই বাধা দেন।

এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, কোস্টগার্ডের সঙ্গে দ্বীপবাসী একটি উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ফাঁকাগুলি বর্ষণ করা হয়েছে।