https://bangla-times.com/
ঢাকারবিবার , ৩ ডিসেম্বর ২০২৩
  • অন্যান্য

শাহজাহান ওমরের মনোনয় বৈধ, বাতিল হারুনের

শাহ জালাল, বরিশাল
ডিসেম্বর ৩, ২০২৩ ৫:৫৬ অপরাহ্ণ । ১২৫ জন
Link Copied!

আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ আসনে আওয়ামী লীগের আলোচিত প্রার্থী বিএনপির সাবেক নেতা শাহজাহান ওমরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেও শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় বাতিল হয়েছে বর্তমান সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুনের মনোনয়ন।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) সকালে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে ঝালকাঠির দুটি আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়। পরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারাহ গুল নিঝুম দুটি আসনের সাতজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘোষণা করেন। মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে আটজনের।

মনোনয়ন বাতিল হওয়ার প্রার্থীরা হলো- ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য এম মনিরুজ্জামান মনির, জাতীয় পার্টির এজাজুল হক, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসমাইল হোসেন, নুরুল আলম, ব্যারিস্টার আবুল কাশেম মো. ফকরুল ইসলাম।

নাশকতার মামলায় বুধবার জামিন পান কারাগারে থাকা বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহজাহান ওমর। ওইদিনই কারামুক্ত হন তিনি। বৃহস্পতিবার ঝালকাঠি-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। ওইদিনই বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। পরে বিএনপি তাকে বহিষ্কার করে।

ওই আসনে আওয়ামী লীগ বর্তমান সংসদ সদস্য বজলুল হারুনকে প্রথমে মনোনয়ন দেয়। শনিবার শাহজাহান ওমরকে নৌকা প্রতীক দিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠিও দেয় আওয়ামী লীগ।

আলোচিত প্রার্থী শাহজাহান ওমর নৌকার প্রার্থী হিসেবে রোববারই প্রথম ঝালকাঠিতে আসেন। সকালে ঢাকা থেকে ঝালকাঠিতে গিয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির কার্যালয়ে অনেকক্ষণ অবস্থান করেন। এ সময় তিনি আইনজীবী সমিতির সদস্য ও কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তার পাশে রাজাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খাইরুল আলম সারফারাজ উপস্থিত ছিলেন। পরে সেখান থেকে সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে অংশগ্রহণে উপস্থিত হন।

ঝালকাঠি-২ আসনের আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমুর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংসদীয় এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দিতে হয়। দৈবচয়ন পদ্ধতিতে যাচাই-বাছাই কমিটির প্রধান ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারাহ গুল স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষে স্বাক্ষর করা ১০ জন ভোটারের মোবাইল ফোনে কল করে স্বাক্ষর করেছেন কি না জানতে চান। তালিকায় গরমিল পাওয়ায় চার স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির দুটি আসনের দুই প্রার্থী আয়কর রিটার্ন দাখিল না করায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।