ঢাকা ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঘুম থেকে উঠে পানি না খেয়ে চা-কফি? অভ্যাস বদলাতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা তীব্র গরমে চোখের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে, জেনে নিন কীভাবে যত্ন নেবেন যুদ্ধ শেষের দাবি করেও মধ্যপ্রাচ্যে ১০০০০ সেনা!‘খামখেয়ালি’ ট্রাম্প? শিক্ষার বিকল্প নেই, উন্নত জাতি গঠনে শিক্ষাই মূল ভিত্তি সহকর্মীদের বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর মাহফুজ, ফেসবুকে বিস্ফোরক মন্তব্য ফুলবাড়ীতে বাস চাপায় নওমুসলিম নিহত ‘ফ্রস্ট ব্লাস্ট দ্য হান্ড্রেড ২০২৬’-এর পর্দা তুললো ঢাকা মেভেরিকস বসত বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হলো ১২শ’ লিটার পেট্রোল, গ্রেপ্তার ৩ বসুন্ধরা সিটিতে জমকালো ‘বিসিডিএল বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’ ১০ হাজার ৫৬৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াইফাই চালুর ঘোষণা

‘মেরামতের কাজ শেষ হলেই ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত’

রাজশাহী ব্যুরো
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুলাই ২০২৪ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হল পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার।

রোববার (২৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল পরিদর্শন করেন উপাচার্য।

এ সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবীর, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম সাউদ, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. তরিকুল হাসান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. আসাবুল হক, জনসংযোগ প্রশাসক অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পান্ডে, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নাসিমা আক্তার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সরকার, পরিবহন দপ্তরের প্রশাসক মোকছিদুল হক, লিগ্যাল সেলের প্রশাসক ড. সাদিকুল ইসলাম সাগর ও সংশ্লিষ্ট হলের প্রাধ্যক্ষদ্বয় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. নাসিরুদ্দিন বলেন, কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের আড়ালে একদল কুচক্রী মহল হলে প্রবেশ করে প্রায় ১১টি কক্ষে ভাংচুর চালায়। তাতে অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

পরিদর্শন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে তাতে প্রশাসনিক ভবনসহ নয়টি হলের ১৫৮টি কক্ষে ভাংচুর করা হয়। এতে আনুমানিক চার কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে৷

হল খোলার বিষয়ে উপাচার্য বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা হল খুলতে চাই কিন্তু এরআগে হলগুলো ঠিকঠাক করতে হবে।হল মেরামতের কাজ শেষ হলেই হল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবো। এরমধ্যে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিনকে আহবায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত কমিটিকে ৮ সপ্তাহ সময় দেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‘মেরামতের কাজ শেষ হলেই ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত’

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুলাই ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হল পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার।

রোববার (২৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল পরিদর্শন করেন উপাচার্য।

এ সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবীর, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম সাউদ, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. তরিকুল হাসান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. আসাবুল হক, জনসংযোগ প্রশাসক অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পান্ডে, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নাসিমা আক্তার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সরকার, পরিবহন দপ্তরের প্রশাসক মোকছিদুল হক, লিগ্যাল সেলের প্রশাসক ড. সাদিকুল ইসলাম সাগর ও সংশ্লিষ্ট হলের প্রাধ্যক্ষদ্বয় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. নাসিরুদ্দিন বলেন, কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের আড়ালে একদল কুচক্রী মহল হলে প্রবেশ করে প্রায় ১১টি কক্ষে ভাংচুর চালায়। তাতে অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

পরিদর্শন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে তাতে প্রশাসনিক ভবনসহ নয়টি হলের ১৫৮টি কক্ষে ভাংচুর করা হয়। এতে আনুমানিক চার কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে৷

হল খোলার বিষয়ে উপাচার্য বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা হল খুলতে চাই কিন্তু এরআগে হলগুলো ঠিকঠাক করতে হবে।হল মেরামতের কাজ শেষ হলেই হল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবো। এরমধ্যে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিনকে আহবায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত কমিটিকে ৮ সপ্তাহ সময় দেয়া হয়েছে।