https://bangla-times.com/
ঢাকামঙ্গলবার , ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

মানিলন্ডারিংয়ে জড়িত ৭ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৪ ৮:৩৪ অপরাহ্ণ । ৯৭ জন
Link Copied!

বৈদেশিক মুদ্রা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে ক্রয়-বিক্রয়, কালোবাজারি ও মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করছে এক চক্র। এর সাথে জড়িত বিমানবন্দর শাখার সাতটি ব্যাংক ও দুটি প্রতিষ্ঠান। জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক এবং এভিয়া মানি এক্সচেঞ্জার ও মিলেনিয়াস মানি এক্সচেঞ্জারসহ কিছু মানি এক্সচেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের জড়িত একটি চক্র জড়িত। এর সত্যতা পেয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বসে অবৈধভাবে বিদেশি মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় ও মানিলন্ডারিং করছে চক্রটি। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

এ সময় তিনি বলেন, বিমানবন্দরের কয়েকটি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী ডলারসহ বৈদেশিক মুদ্রা কিনে ব্যাংকিং চ্যানেলে তা না দেখিয়ে বাইরে বিক্রি করে দেয়।পরে মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে এই বৈদেশিক মুদ্রা পাচার হয়ে যায়।

দুদক সচিব জানান, সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে দুদকের এনফোর্সমেন্ট অভিযানে চক্রটির সন্ধান পাওয়া যায়। তাদের কারণে প্রতিদিন শত কোটি টাকা মূল্যের বিদেশি মুদ্রা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ব্যাংকিং খাত।

তিনি আরও বলেন, অভিযানকালে ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জারের এনকেশমেন্ট স্লিপ ছাড়া ফরেন করেন্সি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য প্রমাণ, একাধিক ভুয়া ভাউচার ও সইবিহীন ভাউচার সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া অবৈধভাবে ফরেন কারেন্সি ক্রয়-বিক্রয়, পাচার ও কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রমাণ অভিযান পরিচালনাকারী টিম সংগ্রহ করেছে। সন্দেহভাজন ও জড়িত ব্যাংক কর্মকর্তারা কমিশনের কর্মকর্তাদের নজরদারিতে রয়েছে। তাদের মদদদাতা ও সহযোগীদের বিষয়েও কমিশনের নির্দেশে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।