ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে হামলায়, আহত ১৫

বাগেরহাট অফিস
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:০১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ৯৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার ধোপাখালি ইউনিয়ন বিএনপির স্থানীয় কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে হামলায় ১৫ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দেপাড়া বাজারে ধোপাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি প্রার্থী আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে দেপাড়া বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। হামলায়। হামলায় বিএনপির সভাপতি প্রার্থী মোঃ লিয়াকত হোসেনসহ অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে লিয়াকত হোসেনকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এবং লিয়াকত হোসেনের ভাই শওকত হোসেন ও যুবদল নেতা জুয়েল রানাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলায় আহত লিয়াকত হোসেন জানান, আসন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে দেপাড়া বাজার থেকে ধোপাখালি যাচ্ছিলাম। প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী আফজাল হাওলাদারের নেতৃত্বে কাদের, আলমগীর, শিমুল, শ্রমীক লীগ নেতা সুমন, আফজাল হাওলাদার, হেদায়েত, ইস্কান্দার, ফজু, হুমায়ুন ইশারাত মেম্বার সহ ২৫/৩০ জন সন্ত্রাসীরা পূর্ব পরিকল্পিত মোতাবেক রামদা, লোহার রড, ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে কুপিয়ে ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে আমিসহ আমার ১৫জন দলীয় নেতাকর্মীকে রক্তাক্ত জখম করে। তিনি আরো জানান, আসন্ন বিএনপির সভাপতি পদে আমি প্রতিদ্বন্দীতা করলে আফজাল হোসেন ও তার নাতী শ্রমীক লীগ নেতা সুমন আমাকে প্রানে মেরে ফেলবে বলে হুমকি প্রদান করে। এ হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

হামলার ঘটনায় কচুয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম তৌহিদুল ইসলাম জানান, হামলার ঘটনা শুনেছি। বিএনপির দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দলীয় উর্দ্ধতন নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে দ্রæত পদক্ষেপের কথাও জানান তিনি।

ঘটনার বিয়ে আফজাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি ও তার কোন নেতৃবৃন্দ জড়িত নন বলে জানান।

এ ঘটনায় কচুয়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাশেদুল ই্সলাম বলেন, হামলার ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উক্ত ঘটনায় এখনও কোনো অভিযোগ প্ওায়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাগেরহাটে বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে হামলায়, আহত ১৫

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:০১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার ধোপাখালি ইউনিয়ন বিএনপির স্থানীয় কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে হামলায় ১৫ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দেপাড়া বাজারে ধোপাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি প্রার্থী আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে দেপাড়া বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। হামলায়। হামলায় বিএনপির সভাপতি প্রার্থী মোঃ লিয়াকত হোসেনসহ অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে লিয়াকত হোসেনকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এবং লিয়াকত হোসেনের ভাই শওকত হোসেন ও যুবদল নেতা জুয়েল রানাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলায় আহত লিয়াকত হোসেন জানান, আসন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে দেপাড়া বাজার থেকে ধোপাখালি যাচ্ছিলাম। প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী আফজাল হাওলাদারের নেতৃত্বে কাদের, আলমগীর, শিমুল, শ্রমীক লীগ নেতা সুমন, আফজাল হাওলাদার, হেদায়েত, ইস্কান্দার, ফজু, হুমায়ুন ইশারাত মেম্বার সহ ২৫/৩০ জন সন্ত্রাসীরা পূর্ব পরিকল্পিত মোতাবেক রামদা, লোহার রড, ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে কুপিয়ে ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে আমিসহ আমার ১৫জন দলীয় নেতাকর্মীকে রক্তাক্ত জখম করে। তিনি আরো জানান, আসন্ন বিএনপির সভাপতি পদে আমি প্রতিদ্বন্দীতা করলে আফজাল হোসেন ও তার নাতী শ্রমীক লীগ নেতা সুমন আমাকে প্রানে মেরে ফেলবে বলে হুমকি প্রদান করে। এ হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

হামলার ঘটনায় কচুয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম তৌহিদুল ইসলাম জানান, হামলার ঘটনা শুনেছি। বিএনপির দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দলীয় উর্দ্ধতন নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে দ্রæত পদক্ষেপের কথাও জানান তিনি।

ঘটনার বিয়ে আফজাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি ও তার কোন নেতৃবৃন্দ জড়িত নন বলে জানান।

এ ঘটনায় কচুয়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাশেদুল ই্সলাম বলেন, হামলার ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উক্ত ঘটনায় এখনও কোনো অভিযোগ প্ওায়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।