https://bangla-times.com/
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩০ নভেম্বর ২০২৩

প্রার্থীর সমর্থনকারী ভোটারদের স্বাক্ষরপত্র ছিনতাই

নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
নভেম্বর ৩০, ২০২৩ ১২:০৫ অপরাহ্ণ । ৬০ জন
Link Copied!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজুর রহমানের সমর্থনে দেওয়া ভোটারদের স্বাক্ষরের একটি তালিকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে ফিরোজুর রহমান নিজেই সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন। তবে স্বাক্ষর তালিকার বিকল্প থাকায় মনোনয়নপত্র জমা দিতে কোনো সমস্যা হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং পুলিশ সুপারের কাছে মৌখিকভাবে এ অভিযোগের কথা জানান প্রার্থী ফিরোজুর রহমান। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য। নির্বাচনে অংশ নিতে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে সম্প্রতি পদত্যাগও করেন ফিরোজুর।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩-(সদর-বিজয়নগর) আসনঃ এই আসনে চতুর্থবারের মতো দলীয় মনোনয়নপত্র পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব, ও আসনের টানা তিনবারের সংসদ সদস্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা হচ্ছে ফিরোজুর রহমানকে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনে এখন পর্যন্ত একক এবং হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ফিরোজুর রহমান সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, মোট ভোটার সংখ্যার এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনস্বরূপ সই করা তালিকা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হয়। বৃহস্পতিবার সকালে ভোটারদের তালিকা নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আসার পথে সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের খালকাটা এলাকায় আমার কর্মী মহিবুর রহমানের কাছ থেকে ২৫০ জন ভোটারের সই করা তালিকা ছিনতাই করেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। তারা স্থানীয় মুছা আনসারীর নির্দেশে এ কাজ করেছে।

ফিরোজুরের কর্মী মহিবুর রহমান ফরিদ বলেন, আমরা ভোটারদের তালিকা নিয়ে মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলাম। পথে খালকাটা মোড়ের সেতুর ওপর অবুঝ নামে এক যুবকসহ সাত-আট জন আমাদের পথরোধ করে। এ সময় তারা আমার কাছ থেকে সমর্থনকারী ভোটারদের সই করা তালিকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়।

তবে ছিনতাইয়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে আবু মূসা আনসারী বলেন, তিনি একেক সময় একেক কথা বলছেন। একবার বলছেন খালকাটার লোকজন ছিনতাই করেছে, আবার বলছেন চিনাইরের লোকজন করেছে। আরেকবার বলছেন আমার লোক নিয়েছে। আমি কেনো ছিনতাই করাবো? তার কথাবার্তা অসংলগ্ন।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভোটার তালিকার কয়েকটি পাতা ছিনতাই হয়েছে বলে মৌখিকভাবে ফিরোজুর রহমান আমাকে জানিয়েছেন। তবে তার কাছে তালিকার অতিরিক্ত কপি আছে। এছাড়া তিনি নিজেই ছিনতাই হওয়া তালিকা উদ্ধার করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি। এরই মধ্যে এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।