https://bangla-times.com/
ঢাকাশনিবার , ২ ডিসেম্বর ২০২৩
  • অন্যান্য

পিটিআই’র নতুন চেয়ারম্যান গহর

বাংলা টাইমস ডেস্ক
ডিসেম্বর ২, ২০২৩ ৬:১৮ অপরাহ্ণ । ১১৭ জন
Link Copied!

পাকিস্তান তেহরিক–ই–ইনসাফের (পিটিআই) নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার গহর আলি খান। শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য ডন। গহর আলি খান সাবেক প্রধানমন্ত্রী দলটির কারাবন্দী নেতা ইমরান খানের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মেনে আন্তদলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গহর আলি খান পিটিআইয়ের নতুন চেয়ারম্যান হয়েছেন। নির্বাচিত হয়ে গহর বলেন, সাবেক পিটিআই প্রধান ইমরান খানের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তবে পিটিআইয়ের অন্যতম সদস্য আকবর এস বাবর আন্তদলীয় নির্বাচন নিয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গহর আলি খানের মনোনয়ন প্রত্যাখ্যান করার কথা জানান। এ সময় তিনি পিটিআইয়ের আন্তদলীয় নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার গহর আলি খানকে পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করেন ইমরান খান। নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর পেশোয়ারে এক জনসভায় ব্যারিস্টার গহর বলেন, ‘পাকিস্তানে ১৭৫টি রাজনৈতিক দল রয়েছে। প্রতিটি দলই তাদের আন্তদলীয় নির্বাচনের সব তথ্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসিপি) সরবরাহ করছে। ১৯৬০ সাল থেকেই এই নিয়ম চলে আসছে। সে অনুযায়ী আমরাও দিলাম। তবে আমাদের দলের আন্তদলীয় নির্বাচন যেভাবে খুটিয়ে দেখা হচ্ছে, কোনো দলের ক্ষেত্রে এমন হয়নি।’

পিটিআই মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ওমর আইয়ুব খান। গত ৫ আগস্ট তোশাখানা মামলায় ইমরান খানকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন ইসলামাবাদের বিচারিক আদালত। এরপর থেকে কারাগারে আছেন তিনি।

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভী ও পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) আগামী বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে একমত হয়েছেন।

পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে সরকার ভেঙে দিতে হয়। সেই উদ্দেশে গত আগস্টে মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয় এবং নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে। তখন বলা হয়েছিল, চলতি বছরের অক্টোবরেই সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হলো।

বেশির ভাগ বড় রাজনৈতিক দল ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি বলে অভিযোগ করছেন অনেকে। এছাড়া আসন্ন নির্বাচনের সুষ্ঠুতা ও স্বচ্ছতা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করছেন কেউ কেউ।