ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশার ওষুধে কেরোসিন, বর্জ্য সংগ্রহে বাড়তি ফি: ডিএসসিসিতে দুদকের অভিযান প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা ১ অক্টোবর থেকে চলচ্চিত্রে ফিরুক সমাজ বদলের বার্তা, নির্মাতাদের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ২৪ সেপ্টেম্বর শুরু ক্লাস মেলান্দহে অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল পরিবেশ অধিদপ্তর সাত মাসে ৬৪১ ধর্ষণ, ৩৭ হত্যা: মামলা হলেও ন্যায়বিচারে ঘাটতি কেন? কংগ্রেস নেতাদের গণহত্যা! ১৩ বছর পর ১০ মাওবাদী নেতার মৃত্যুদণ্ড গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল: প্রত্যাহার ওসি দাউদ হোসেন ‘চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’, যুবদল নেতার নামে পোস্টারিং হামের প্রকোপ অব্যাহত, ২৪ ঘণ্টায় উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

পালিয়ে টেকনাফে আশ্রয় দুই শতাধিক বিজিপি সদস্যের

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪ ১৬১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মিয়ানমারের রাখাইনে চলমান সংঘাতের জেরে আবারো দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি দুই শতাধিক সদস্য পালিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফে আশ্রয় নিয়েছে। এরমধ্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যও রয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ও শুক্রবার (১২জুলাই) সকালে টেকনাফ সীমান্তের সাবরাংয়ের তিনটি পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশ করে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সদস্যরা। পরে তাদের বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যরা হেফাজতে নেয়।

গত দুইদিনে মিয়ানমারের বিজিপি ও সেনা সদস্যরা ধাপে ধাপে টেকনাফে পালিয়ে আসে। এর মধ্যে গত বুধবার সকালে ২০ জন বৃহস্পতিবার ১১৯ জন মিয়ানমার সেনা ও বর্ডার গার্ড পুলিশ বিজিপি সদস্য আশ্রয় নিয়েছে। তবে শুক্রবার (১২ জুলাই) ভোরে আসা বিজিপি সদস্যদের সংখ্যা আনুমানিক অর্ধশতাধিক হতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

cox 1 1

এ বিষয়ে টেকনাফ ইউএনও মো. আদনান চৌধুরী জানান, নতুন করে মিয়ানমারের সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য এপারে আশ্রয় নিয়েছে বলে শুনেছি। তারা বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের হেফাজতে রয়েছে।

এদিকে, গত বুধবার রাতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও দেশটির সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে মর্টারশেল ও ভারী গোলার বিকট শোনা গেছে টেকনাফ সীমান্তে। তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শব্দ কমেছে।

নতুন করে কোনও অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়ে টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, সীমান্তে সার্বক্ষণিক বিজিবির সদস্যরা টহল দিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমারের এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তের যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত।

অন্যদিকে, সীমান্তের বাসিন্দারা বলেন, রাখাইনদের যুদ্ধের জেরে তারা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে । চলমান যুদ্ধের কারণে বাসিন্দাদের আতঙ্কে দিন কাটছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পালিয়ে টেকনাফে আশ্রয় দুই শতাধিক বিজিপি সদস্যের

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪

মিয়ানমারের রাখাইনে চলমান সংঘাতের জেরে আবারো দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি দুই শতাধিক সদস্য পালিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফে আশ্রয় নিয়েছে। এরমধ্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যও রয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ও শুক্রবার (১২জুলাই) সকালে টেকনাফ সীমান্তের সাবরাংয়ের তিনটি পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশ করে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সদস্যরা। পরে তাদের বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যরা হেফাজতে নেয়।

গত দুইদিনে মিয়ানমারের বিজিপি ও সেনা সদস্যরা ধাপে ধাপে টেকনাফে পালিয়ে আসে। এর মধ্যে গত বুধবার সকালে ২০ জন বৃহস্পতিবার ১১৯ জন মিয়ানমার সেনা ও বর্ডার গার্ড পুলিশ বিজিপি সদস্য আশ্রয় নিয়েছে। তবে শুক্রবার (১২ জুলাই) ভোরে আসা বিজিপি সদস্যদের সংখ্যা আনুমানিক অর্ধশতাধিক হতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

cox 1 1

এ বিষয়ে টেকনাফ ইউএনও মো. আদনান চৌধুরী জানান, নতুন করে মিয়ানমারের সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য এপারে আশ্রয় নিয়েছে বলে শুনেছি। তারা বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের হেফাজতে রয়েছে।

এদিকে, গত বুধবার রাতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও দেশটির সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে মর্টারশেল ও ভারী গোলার বিকট শোনা গেছে টেকনাফ সীমান্তে। তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শব্দ কমেছে।

নতুন করে কোনও অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়ে টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, সীমান্তে সার্বক্ষণিক বিজিবির সদস্যরা টহল দিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমারের এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তের যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত।

অন্যদিকে, সীমান্তের বাসিন্দারা বলেন, রাখাইনদের যুদ্ধের জেরে তারা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে । চলমান যুদ্ধের কারণে বাসিন্দাদের আতঙ্কে দিন কাটছে।