https://bangla-times.com/
ঢাকাবুধবার , ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

পালংখালী সীমান্তের ওপারে তুমুল গোলাগুলি, বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে এপাড়ের মানুষ

কক্সবাজার প্রতিনিধি
ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৪ ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ । ৬৩ জন
Link Copied!

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের লড়াইয়ে গোলাগুলি ও মর্টারশেলে কেঁপে উঠছে সীমান্তবর্তী এলাকা। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালেও ঘুমধুম, পালংখালী সীমান্তের ওপারে গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে।

সীমান্তে সংঘাতময় পরিস্থিতিতে বান্দরবানের ঘুমধুমে ১৩৭ জন নারী-পুরুষ একটি স্কুলে আশ্রয় নিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এসব নারী-পুরুষ বাড়িঘর ছেড়ে স্কুল ভবনে জড়ো হয়।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে এসব আশ্রয় কেন্দ্রে খাবার, পানিসহ অন্যান্য বিষয়গুলো তদারকি করা হচ্ছে।

গোলাগুলির শব্দে সীমান্তের গ্রামগুলোতে ভয় আর আতঙ্ক ভর করেছে গেল প্রায় এক সপ্তাহ ধরে। এরইমধ্যে তমব্রু, ঘুমধুম, পালংখালী এলাকায় ওপার থেকে আসা মর্টার শেলে দুইজন নিহত এবং আহত হয়েছে অন্তত সাত জন।

এলাকাবাসী বলেন, গোলাগুলির শব্দ আর ভয়ে বাড়িতে থাকতে পারছেন না তারা। এখন তারা ছুটছেন নিরাপদ আশ্রয়ে।সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমের তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে উত্তর ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জলপাইতলী, ফকিরাঘোনা এলাকা থেকে ২৮টি পরিবারের ১৩৭ জন নারী-পুরুষ আশ্রয় নিয়েছে। জীবন বাঁচাতে জড়ো হওয়া এসব মানুষের চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ।এসব আশ্রয়প্রার্থীদের খাবার, পানিসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিচ্ছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ।

এদের জায়গা সংকুলান করতে স্কুলের পাঠদান আপাতত চালু রাখলেও সেটি প্রয়োজন সাপেক্ষে বন্ধ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।

উত্তর ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপেন বড়ুয়া বলেন, এখনও স্কুলে পাঠদান বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে স্কুলে আশ্রয় নিতে আসা মানুষের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন জানান, বুধবারও সীমান্তের ওপার থেকে থেমে থেমে গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। এ সকল ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে এলাকায়।