ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মায় উদ্ধার ফোরকানের মরদেহ, পাঁচ হত্যাকাণ্ডে রহস্য ঘনীভূত

গাজীপুর প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:২৫:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লার মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থানার পদ্মা নদী এলাকা থেকে অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পরনের সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট দেখে প্রাথমিকভাবে ফোরকানের ভাই মরদেহটি শনাক্ত করেছেন। তবে ডিএনএ পরীক্ষার পরই চূড়ান্ত পরিচয় নিশ্চিত করা হবে।

মাওয়া নৌ-পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাহাঙ্গীর জানান, স্থানীয়রা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গত ৮ মে রাতে কাপাসিয়ার রাউতকোনা এলাকায় ভাড়া বাসায় স্ত্রী শারমিন খানম, তিন মেয়ে মিম, মারিয়া ও ফারিয়াসহ শ্যালক রসুল মিয়াকে হত্যা করে পালিয়ে যান ফোরকান মোল্লা। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে তাদের অচেতন করা হয়। পরে গভীর রাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর আত্মীয়দের ফোন করে হত্যার কথা জানান ফোরকান। পরে তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার পরদিন সকালে সাদা পোশাক পরা এক ব্যক্তি সেতুর মাঝামাঝি স্থান থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন। তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়, ওই ব্যক্তি ফোরকান মোল্লা।

পুলিশের ধারণা, পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন তিনি।

এ ঘটনায় নিহত শারমিন খানমের বাবা কাপাসিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ফোরকানকে প্রধান আসামি করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পদ্মায় উদ্ধার ফোরকানের মরদেহ, পাঁচ হত্যাকাণ্ডে রহস্য ঘনীভূত

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:২৫:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লার মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থানার পদ্মা নদী এলাকা থেকে অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পরনের সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট দেখে প্রাথমিকভাবে ফোরকানের ভাই মরদেহটি শনাক্ত করেছেন। তবে ডিএনএ পরীক্ষার পরই চূড়ান্ত পরিচয় নিশ্চিত করা হবে।

মাওয়া নৌ-পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাহাঙ্গীর জানান, স্থানীয়রা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গত ৮ মে রাতে কাপাসিয়ার রাউতকোনা এলাকায় ভাড়া বাসায় স্ত্রী শারমিন খানম, তিন মেয়ে মিম, মারিয়া ও ফারিয়াসহ শ্যালক রসুল মিয়াকে হত্যা করে পালিয়ে যান ফোরকান মোল্লা। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে তাদের অচেতন করা হয়। পরে গভীর রাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর আত্মীয়দের ফোন করে হত্যার কথা জানান ফোরকান। পরে তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার পরদিন সকালে সাদা পোশাক পরা এক ব্যক্তি সেতুর মাঝামাঝি স্থান থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন। তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়, ওই ব্যক্তি ফোরকান মোল্লা।

পুলিশের ধারণা, পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন তিনি।

এ ঘটনায় নিহত শারমিন খানমের বাবা কাপাসিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ফোরকানকে প্রধান আসামি করা হয়।