https://bangla-times.com/
ঢাকারবিবার , ৩ ডিসেম্বর ২০২৩
  • অন্যান্য

চুরি হচ্ছে মরদেহ ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, রয়েছে প্রমাণ

বাংলা টাইমস ডেস্ক
ডিসেম্বর ৩, ২০২৩ ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ । ১০৫ জন
Link Copied!

গাজায় ইসরাইলি হামলার পর থেকেই দেশটির সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের একাধিক অভিযোগ উঠছে। তবে তা অস্বীকার করছে ইসরাইল।এবার নিহত ফিলিস্তিনিদের মরদেহ ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চুরির অভিযোগ উঠেছে ইসরাইলের বিরুদ্ধে। একাধিক এনজিও বলছে, তাদের কাছে এসবের প্রমাণও রয়েছে।

ইউরো নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলি সেনাদের মরদেহ ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চুরির অপরাধের বিচারের লক্ষ্যে একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্তের আহবান জানিয়েছে গাজাভিত্তিক এনজিওগুলো।

ফিলিস্তিনিদের মরদেহ থেকে সম্ভাব্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চুরির বিষয়ে “উদ্বেগ” জানিয়ে ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর নামে একটি এনজিও বলছে, ইসরাইলি সেনাবাহিনীর কাছে থেকে ছাড় পাওয়া মৃত ফিলিস্তিনিদের মরদেহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেন চিকিৎসকরা।

এনজিওটি দাবি করেছে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ গাজার বিভিন্ন এলাকা এবং উত্তর গাজার আল-শিফা এবং ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতাল থেকে ফিলিস্তিনিদের শতাধিক মরদেহ নিয়ে গেছে।

ইসরাইলি সেনাদের বিরুদ্ধে চোখের কর্নিয়া, লিভার, কিডনি এবং হার্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ চুরির তথ্য ও প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে বলে দাবি করেছে ইউরো-মেড মনিটর। এছাড়াও ইসরাইলি সেনারা একটি গণকবর থেকে ফিলিস্তিনিদের মৃতদেহ উত্তোলন করেছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে পরিবারের সম্মতি ছাড়া মৃত ফিলিস্তিনিদের অঙ্গ সংগ্রহের বিষয়টি অস্বীকার করেছে ইসরাইলের সেনাবাহিনী। এর আগে ইসরাইলি ডাক্তার মেরা ওয়েইস তার বই “ওভার দ্য ডেড বডিস” এ বলেন, ১৯৯৬ এবং ২০০২ সালের মধ্যে মৃত ফিলিস্তিনিদের শরীর থেকে চুরি করা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ইসরাইলি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চিকিৎসা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়েছে এবং ইসরাইলি রোগীদের দেহেও প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল।

গাজায় কাজ করা এনজিওগুলো বলছে, তাদের হাতে এসবের যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। আজ হয়তো ইসরাইল বেঁচে যাচ্ছে তবে একদিন ঠিকই এসবের বিচার হবে।