https://bangla-times.com/
ঢাকামঙ্গলবার , ৩০ জানুয়ারি ২০২৪

কুষ্টিয়ার মধু যাচ্ছে বিদেশে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
জানুয়ারি ৩০, ২০২৪ ৭:২২ অপরাহ্ণ । ৬৯ জন
Link Copied!

হলুদ গালিচার দৃশ্য এখন কুষ্টিয়ার মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে। আর এই অপরুপ সৌন্দর্যের মাঝে সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহের জন্য মধুচাষী বা মৌয়ালরা মধুর বাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সুস্বাদু ও নির্ভেজাল সরিষা ফুলের মধু দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও। আর এসব খামার থেকে টাটকা মধু সংগ্রহ করতে ক্রেতারাও ভিড় করছেন খামারে।

কুষ্টিয়ার মাঠে মাঠে এখন সরিষা ফুলের সমারোহ। আর এ সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করতে মামুন অর রশিদ মামুন ওরফে মধু মামুন সহ মৌয়ালরা সরিষা ক্ষেতে বসিয়েছেন শত শত মৌবাক্স। মৌমাছির দল সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে ভরে তুলছেন এক একটি মৌবাক্স। এভাবে সংগ্রহ করা মধু দেশের চাহিদা মিটিয়ে অষ্ট্রেলিয়া, স্পেন ও কোরিয়া সহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে মধু মামুনসহ অনেকে হয়েছেন স্বাবলম্বী বলে জানিয়েছেন মামুন অর রশিদ মামুন ওরফে মধু মামুন।

তিনি আরও জানান, তামাক অধ্যুষিত কুষ্টিয়া জেলার মিরপুরের ধুবইল মাঠসহ আশাপাশের মাঠে সরিষা ক্ষেতে মৌচাষের ফলে পরাগায়নের মাধ্যমে সরিষার ফলন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্রতিবছরই বাড়ছে সরিষার চাষ। কৃষকরাও হচ্ছে আর্থিকভাবে লাভবান।

মৌ খামার থেকে সংগ্রহ করা সুস্বাদু মধুর খ্যাতি ছড়িয়েছে সর্বত্র। তাই প্রতিদিনই নির্ভেজাল, খাঁটি ও টাটকা মধু সংগ্রহ করতে অসংখ্য ক্রেতা ছুটে আসছেন মিরপুরের ধুবইল মাঠে মধু মামুনের খামারে।

আবার মামুনের খামারে কাজ করে বেকারত্ব ঘুচেছে অনেকের এমটি জানিয়েছেন মধু মামুনের খামারে কর্মরত কর্মচারীরা।

সরিষা ক্ষেতে মৌমাছি পালনে ফুলের পরাগায়ন ঘটে। ফলে বাড়ে সরিষার ফলন। সরিষা চাষ সম্প্রসারণ এবং মৌচাষে মৌয়ালদের প্রযুক্তির ব্যবহার ও পরামর্শ দিয়ে সবসময় সহযোগিতা করে থাকেন কৃষি বিভাগ এমনটি জানিয়েছেন মিরপুর কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

মিরপুর উপজেলাকে বিশ্বে পরিচিতি ঘটাতে মামুন তার মধু চাষের মাধ্যমে তুলে ধরছেন। এটা অবশ্যই মিরপুর উপজেলা বাসীর জন্য গৌরবের। তার এ সাফল্য সম্প্রসারণে মিরপুর উপজেলা প্রশাসনও সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন মিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জহুরুল ইসলাম।

মৌ চাষের মাধ্যমে সংগ্রহ করা মধু দেশের চাহিদা পুরণের পাশাপশি মধু রপ্তানি করে অধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। এক্ষেত্রে প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা।