https://bangla-times.com/
ঢাকাশনিবার , ২ ডিসেম্বর ২০২৩
  • অন্যান্য

এমপি শামীম ওসমান ও খোকাকে শোকজ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
ডিসেম্বর ২, ২০২৩ ৮:৫৪ অপরাহ্ণ । ১৪৪ জন
Link Copied!

আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান ও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিচারকদের নিয়ে গঠিত নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। উভয় প্রার্থী বা তার কোন প্রতিনিধিকে সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতির কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া শামীম ওসমানের অনুসারী এক যুবলীগ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলে তিনি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুদুল হক।

গত শুক্রবার শামীম ওসমানের পক্ষে ভোট চেয়ে ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় মিছিল করে তাঁর অনুসারী আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। প্রতীক বরাদ্দের পূর্বে যা আচরণবিধি লঙ্ঘন।

এদিকে, আচরণবিধি লঙ্ঘন করে গত বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় কয়েকশ’ নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মিছিল নিয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন লিয়াকত হোসেন খোকা।

শনিবার নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির সভাপতি যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ কাজী ইয়াসিন হাবীব ও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির সভাপতি সিনিয়র সহকারী জজ মোহসিনা ইসলাম যথাক্রমে শামীম ওসমান ও লিয়াকত হোসেন খোকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠান।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের অনুসারী যুবলীগের নেতা জানে আলম বিপ্লবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেদারুল ইসলাম।

গত বৃহস্পতিবার জানে আলম বিপ্লবের নেতৃত্বে ফতুল্লার তল্লা এলাকায় শামীম ওসমানের পক্ষে নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে মিছিল করেন অনুসারী নেতা-কর্মীরা। প্রতীক বরাদ্দের পূর্বে কোন প্রার্থীর পক্ষে মিছিল বা ভোট প্রার্থনা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘণ। পরে ২ ডিসেম্বর জানে আলম বিপ্লব সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা।

তিনি জানান, আচরণবিধির নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে তিনি অবগত ছিলেন না। অনিচ্ছকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন বিপ্লব।