https://bangla-times.com/
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৭ ডিসেম্বর ২০২৩

আ’ লীগের ইশতেহারে গুরুত্ব পাচ্ছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিসেম্বর ৭, ২০২৩ ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ । ৯৩ জন
Link Copied!

আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর কয়েকদিনের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

এরমধ্যে চূড়ান্ত করার পথে রয়েছে দলের ইশতেহার। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণকে সামনে রেখে প্রণয়ন করা ইশতেহার ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আনুষ্ঠাতিকভাবে ঘোষণা করবেন শেখ হাসিনা।

ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, সুশাসন নিশ্চিত করা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের শৃংখলা, কর্মসংস্থান, সহজলভ্য প্রযুক্তি ও কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা থাকছে আওয়ামী লীগের এবারের ইশতেহারে।

খসড়া ইশতেহার জমা দেয়া হয়েছে দলের প্রধান শেখ হাসিনাকে। তার দিক নির্দেশনায় চলছে চূড়ান্ত ইশতেহার তৈরির কাজ। সুশাসন নিশ্চিতের বিষয়টি এবার ইশতেহার গুরুত্ব পাচ্ছে। আগামী জানুয়ারিতে ভোটের তারিখ ধরে নির্বাচন কমিশন যখন প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছিলো তখন থেকেই আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছে টানা তিন মেয়াদ ধরে রাষ্ট্র পরিচালনা করা দল আওয়ামী লীগ।

এই নির্বাচনে প্রতিশ্রুতি প্রণয়নে গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু করেছে দলের ইশতেহার প্রণয়ন কমিটি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারের স্লোগান ছিল ‘দিনবদলের সনদ’। ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে ছিল ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’।

২০১৮ সালে একাদশ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দলটির ইশতেহারে স্লোগান ছিলো, ‘তারুণ্যের শক্তি, বাংলাদেশের সমৃদ্ধি’।

ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির সদস্য আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বুড়য়া বলেন, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা আর কীভাবে সুদৃঢ় করা যায় তার সুনির্দিষ্ট সুপারিশ সেখানে থাকবে। দ্রব্যমূল্য কীভাবে কমানো যায় সেটাও থাকবে। ইশতেহারের প্রথমাংশে থাকবে গত নির্বাচনের অঙ্গীকারের বাস্তবায়নের চিত্র। আর দ্বিতীয়াংশে আগামী পাঁচ বছরের প্রতিশ্রুতি । পাশপাশি থাকবে ভবিষ্যতের কিছু রূপরেখা।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান বলেন, আগামী পাঁচ বছরের জন্য আমাদের কী অঙ্গীকার জনগণের কাছে সেটা থাকবে। সেখানে খুব সুনির্দিষ্টভাবে বলা থাকবে। পাশাপাশি পাঁচ বছর পর কী করবো বা দশ বছরে কী করবো এটার একটা রূপরেখা জানানো হবে।

এদিকে টেকসই উন্নয়নের ১৭টি শর্ত পূরণ করার দিকনির্দেশনা ইশতেহারকে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা দেবে বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, আমরা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করবো। ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ। এখন হচ্ছে স্মার্ট বাংলাদেশ। সেইটাই আমাদের ইশতেহারে থাকবে। আমি আশা করবো, আমাদের ইশতেহার দেশের জন্য মঙ্গল হবে। আমার বিশ্বে আমাদের একটি বিশেষ অবস্থান সৃষ্টি করবে।

এবার ইশতেহার প্রণয়নে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষক, স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষসহ সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের দাবি ও প্রত্যাশার কথা জেনেছে আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হয়েছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতে সুশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়টিও থাকছে ইশতেহারে।