https://bangla-times.com/
ঢাকামঙ্গলবার , ২৮ নভেম্বর ২০২৩
  • অন্যান্য

আসন বন্টন নিয়ে ১৪ দলে অস্বস্তি

বিশেষ প্রতিবেদক
নভেম্বর ২৮, ২০২৩ ৫:১৭ পূর্বাহ্ণ । ১১৫ জন
Link Copied!

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমাদানের আর মাত্র দুই দিন বাকী। এখনো আসন বন্টন নিয়ে আলোচনা না হওয়ায় ১৪ দলে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। জোট থাকার যৌক্তিকতা নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ শরীক নেতারা। তারা বলেছেন, জোট প্রধান শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করলে এর জট খুলবে। এককভাবে নির্বাচন করা কিংবা ভোটে না যাওয়ার বিষয়ও বিবেচনা করছেন তারা।

আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেন, বর্তমান সংসদে শরিকদের যত প্রতিনিধি আছে তাদেরই কিংবা সংখ্যা ঠিক রেখে আসন পরিবর্তন করে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ছাড় দেওয়া হতে পারে। তবে দু-একজন সংযোজন-বিয়োজন হতে পারে।

একাদশ জাতীয় সংসদে ১৪ দলীয় জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির তিনজন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) তিনজন, জাতীয় পার্টির (জেপি) একজন এবং তরীকত ফেডারেশনের একজন সংসদ সদস্য রয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচনে ওয়ার্কার্স পার্টিকে চারটি আসনে ছাড় দেওয়া হয়েছিল কিন্তু ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে দলটির প্রার্থী বিএনপির কাছে পরাজিত হন। ওই আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির কাছে পরাজিত হয় ওয়ার্কার্স পার্টি।

বর্তমানে আওয়ামী লীগের শরিকদের আটটি আসন (সরাসরি) থাকলেও দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আসন ভাগাভাগি নিয়ে এখনো দলগুলো প্রাথমিক আলোচনা করেনি। জোটের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শরিকেরা আওয়ামী লীগের কাছে ৩০টির বেশি চাইবে। এর আগে দশম জাতীয় সংসদে শরিকদের আসন ছিল ১৩টি। এবার সংখ্যা আরও বাড়াতে চায় দলগুলো।

১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন, জোটগত আসন নিয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। জোটনেত্রী যখন সময় দেবেন তখনই এ নিয়ে আলোচনা হবে।

সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া বলেন, আমরা তো আসন ভাগাভাগি নিয়ে বৈঠক করার মালিক নই। যারা মালিক তারা তো করতে হবে।

আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নানামুখী সমীকরণ হচ্ছে। এরই মধ্যে বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক কল্যাণ পার্টি নির্বাচনে আসার ঘোষণা দিয়েছে। ওই আন্দোলনের আরও কয়েকটি দলও নির্বাচনের পাইপলাইনে আছে। আসন নিয়ে আলোচনার সমাধান হলে তারাও নির্বাচনে আসার ঘোষণা দিতে পারে।

জোটের শরিকদের মধ্যে অনিবন্ধিত বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) তিন নেতা ও গণ আজাদী লীগের এক নেতা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এ ছাড়া নিবন্ধিত দলগুলোও মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কাছে আবেদন ফরম বিক্রি করেছে। সেখান থেকে প্রার্থী চূড়ান্ত করে কিছু আসনে জোটগত তথা নৌকা মার্কার প্রার্থী দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের কাছে দলগুলো পাঠাবে বলে জানা গেছে।

জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার বলেন, আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনার জন্য আমরা বলেছি। প্রধানমন্ত্রীর সময় দিলেই আলোচনা হবে।