ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট কাটবে না, সতর্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানে ইরানের প্রতিনিধিদল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা ঘিরে অনিশ্চয়তা ঢাকায় বাড়ছে তাপমাত্রা, ভ্যাপসা গরমে বাড়তে পারে অস্বস্তি চাঁদ প্রদক্ষিণ শেষে নিরাপদে ফিরলেন নাসার নভোচারীরা নাচোলে কৃষিজমির মাটি কাটায় চারজনকে দুই লাখা টাকা অর্থদণ্ড বোমায় নিভে গেল দীপালির স্বপ্ন: পরিবারের একমাত্র ভরসা হারানোর কান্না পুরুষদের জন্য আসছে নতুন গর্ভনিরোধক, দাবি বিজ্ঞানীদের এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ, জানা গেল গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা পিআইওকে মারধরের ঘটনায় গণঅধিকার নেতা মামুন গ্রেফতার এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিসে অভিযান, গাঁজাসহ একজন আটক

ড্রেন নির্মাণেই সময় পার করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান

আড়াই কি.মি. সড়কের কাজ চলছে ৬ বছর ধরে

সুজন কুমার মন্ডল,জয়পুরহাট
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:০১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রকল্প অনুমোদনের ৬ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো ড্রেন নির্মাণেই সময় পার করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এর ফলে যানজট ও জলজটে দুর্ভোগে শহরবাসী। বরাবরের মতো এরপরও দ্রুত কাজ শেষ করার আশ্বাস সংশ্লিষ্টদের।

জয়পুরহাট শহরের জিরো পয়েন্ট থেকে হাড়াইল মোড় পর্যন্ত এই আড়াই কিলোমিটার ফোরলেনের কাজ চলছে গত ৬ বছর ধরে। ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন জেলাবাসী। তবে ড্রেন নির্মাণ কাজ শেষ হলেও ফিনিশিং না করায় যেখানে সেখানে গর্তের সৃষ্টি হয়ে পানি জমে রয়েছে। এতে করে যানজট ও জলজটের শিকার শহরবাসী।

ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর জামিরুল ইসলাম জানান,দুই পার্শ্বে ড্রেন নির্মাণের কারণে রাস্তার পানি সরতে পারছে না। একারণে যেখানে সেখানে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্যই প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম আরোহী শফিকুল আলম ,কাপড় ব্যবসায়ী সুব্রত কুমার ক্ষোভের স্বরে জানান, এই শহর দিয়ে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ শহরের অভিভাবক থাকলে প্রকল্প অনুমোদনের পর বছরের পর বছর সময় লাগতো না।

জানা যায়, ২০১৭ সালের ১১ মে একনেকের বৈঠকে ফোরলেন সড়কের জন্য ২৫ কোটি টাকা এবং দুই পাশে ড্রেন নির্মাণের জন্য ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ওই সময় ৩টি প্যাকেজে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর ও ২০১৮ সালের ২৭ জুন কার্যাদেশ দেয়া হয়। প্রথম কয়েক দফা সময় বাড়িয়েও কাজ শুরু করতে না পারা নাভানা কন্সট্রাকশন লাপাত্তা হয়। পরবর্তীতে ২০২০ সালে রিলাইয়েবল বিল্ডার্স লি. ও মাহফুজ খান জয়েন্ট ভেঞ্চার নামে দুটি প্রতিষ্ঠান কাজ পায়। এরপর তারাও এক দফা সময় বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩০ জুন ফোরলেন কাজ সমাপ্ত করার কথা থাকলেও এখনো শুরুই করতে পারেনি।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রিলাইয়েবল বিল্ডার্স লিমিটেডের সিনিয়র প্রজেক্ট ম্যানেজার সাজ্জাদ কাদির খান বলেন, ড্রেন নির্মাণি ধীরগতি হওয়ায় ফোরলেনের কাজ শুরু করতে পারছি না। ড্রেন নির্মাণ শেষ হলেই ফোরলেনের কাজ শুরু করব।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহিনুর রহমান বলেন, চলতি বছরের ৩০ জুন ফোরলেন কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও, মেয়াদ বাড়িয়ে তা ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। আশাকরছি এ অর্থ বছরে কাজটি সম্পন্ন হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ড্রেন নির্মাণেই সময় পার করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান

আড়াই কি.মি. সড়কের কাজ চলছে ৬ বছর ধরে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:০১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪

প্রকল্প অনুমোদনের ৬ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো ড্রেন নির্মাণেই সময় পার করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এর ফলে যানজট ও জলজটে দুর্ভোগে শহরবাসী। বরাবরের মতো এরপরও দ্রুত কাজ শেষ করার আশ্বাস সংশ্লিষ্টদের।

জয়পুরহাট শহরের জিরো পয়েন্ট থেকে হাড়াইল মোড় পর্যন্ত এই আড়াই কিলোমিটার ফোরলেনের কাজ চলছে গত ৬ বছর ধরে। ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন জেলাবাসী। তবে ড্রেন নির্মাণ কাজ শেষ হলেও ফিনিশিং না করায় যেখানে সেখানে গর্তের সৃষ্টি হয়ে পানি জমে রয়েছে। এতে করে যানজট ও জলজটের শিকার শহরবাসী।

ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর জামিরুল ইসলাম জানান,দুই পার্শ্বে ড্রেন নির্মাণের কারণে রাস্তার পানি সরতে পারছে না। একারণে যেখানে সেখানে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্যই প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম আরোহী শফিকুল আলম ,কাপড় ব্যবসায়ী সুব্রত কুমার ক্ষোভের স্বরে জানান, এই শহর দিয়ে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ শহরের অভিভাবক থাকলে প্রকল্প অনুমোদনের পর বছরের পর বছর সময় লাগতো না।

জানা যায়, ২০১৭ সালের ১১ মে একনেকের বৈঠকে ফোরলেন সড়কের জন্য ২৫ কোটি টাকা এবং দুই পাশে ড্রেন নির্মাণের জন্য ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ওই সময় ৩টি প্যাকেজে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর ও ২০১৮ সালের ২৭ জুন কার্যাদেশ দেয়া হয়। প্রথম কয়েক দফা সময় বাড়িয়েও কাজ শুরু করতে না পারা নাভানা কন্সট্রাকশন লাপাত্তা হয়। পরবর্তীতে ২০২০ সালে রিলাইয়েবল বিল্ডার্স লি. ও মাহফুজ খান জয়েন্ট ভেঞ্চার নামে দুটি প্রতিষ্ঠান কাজ পায়। এরপর তারাও এক দফা সময় বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩০ জুন ফোরলেন কাজ সমাপ্ত করার কথা থাকলেও এখনো শুরুই করতে পারেনি।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রিলাইয়েবল বিল্ডার্স লিমিটেডের সিনিয়র প্রজেক্ট ম্যানেজার সাজ্জাদ কাদির খান বলেন, ড্রেন নির্মাণি ধীরগতি হওয়ায় ফোরলেনের কাজ শুরু করতে পারছি না। ড্রেন নির্মাণ শেষ হলেই ফোরলেনের কাজ শুরু করব।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহিনুর রহমান বলেন, চলতি বছরের ৩০ জুন ফোরলেন কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও, মেয়াদ বাড়িয়ে তা ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। আশাকরছি এ অর্থ বছরে কাজটি সম্পন্ন হবে।