ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুদকের মামলার আসামিরা ডিজি আব্দুর রহিমের ছত্রচ্ছায়ায় হোটেল রুমে গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করবেন যেভাবে, জেনে নিন ৬ উপায় ফাইনাল শেষে মারামারি, আর্জেন্টিনার জন্য কী শাস্তি অপেক্ষা করছে? মোদী সরকারকে চাপে ফেলতে শম্ভু সীমান্তে কৃষকদের ঢল এআই ক্যামেরায় এবার সিট বেল্ট ও ফোনে কথা বললেও মামলা মন্ত্রিসভায় রদবদলের ইঙ্গিত, সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর: জাহেদ উর রহমান ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী ও শ্বশুর এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী মামলার আগে মীমাংসা, বিচারপ্রার্থীদের স্বস্তিতে নতুন ব্যবস্থা জুলাইয়ের মালিকানা নিয়ে রাজনীতির নতুন দ্বন্দ্ব

অবাঞ্চিত ঘোষণা, অফিস ছাড়লেন যশোর পৌর মেয়র

যশোর প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪ ২৫০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যশোর পৌরসভার মেয়র মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গনি খান পলাশকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে সাধারণ জনগণ। রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে যশোর পৌরসভার পৌর ভবনের সামনে পাঁচ শতাধিক বিক্ষুব্ধ সাধারণ জনতা অবস্থান নেয়।

এরপর মেয়রের দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে নানারকম স্লোগাান দিতে থাকেন সাধারণ জনগণ। এক পর্যায়ে দুপুর ১টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতার তোপের মুখে পৌরসভার অফিস কক্ষ ত্যাগ করে বেরিয়ে যান মেয়র হায়দার গনি খান পলাশ।

মেয়র পৌরসভা কার্যালয় ত্যাগ করে বেরিয়ে গেলে ‘পালাইছেরে পালাইছেলে মেয়র সাহেব পালাইছে’ এমন স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে পৌরসভা চত্ত্বর।

বিক্ষুব্ধ সাধারণ জনগণের অভিযোগ, মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গনি খান পলাশ যশোর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে যশোরের সড়ক এবং জনগণের জীবনমানের কোন উন্নয়ন হয়নি। দূর্নীতি এবং লুটপাটের আখড়া তৈরি হয়েছে যশোর পৌরসভা। প্রতি বছর অধিক পরিমাণে পৌর কর পরিশোধ করতে হয়। বাসাবাড়ির ময়লা আবর্জনা ফেলতেও টাকা দিতে হয় পৌরসভার কর্মচারীদের। এমনকি পৌরসভা থেকে নাগরিক সুবিধা পেতে নানা রকম ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ মানুষদের। টাকা না দিলে অনেক সময় জন্মনিবন্ধন সেবা মেলে না। প্রতি বছর যে পরিমাণে পৌর কর দেওয়া হয় সেই তুলনায় নাগরিক সুবিধা পান না পৌর নাগরিকরা।

বিক্ষুব্ধ সাধারণ জনতা আরও অভিযোগ করেন, যশোর পৌরসভার মেয়র তার নিজের এলাকার রাস্তাঘাট ড্রেনের উন্নয়ন করেছেন। বিগত বছরগুলোতে যশোরের বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতাসহ বেহাল দশা দেখা দিলেও এমন দূর্ভোগ থেকে সাধারণ জনগণকে মুক্তি দিতে পারেননি তিনি। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা যশোর পৌরসভার মেয়রসহ বিভিন্ন কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করতে থাকেন।

এ বিষয়ে জানতে যশোর পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা উত্তম কুমার কুন্ডু এবং প্যানেল মেয়র মোকছিমুল বারী অপু’কে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করলেও তারা কেউই ফোন রিসিভ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অবাঞ্চিত ঘোষণা, অফিস ছাড়লেন যশোর পৌর মেয়র

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪

যশোর পৌরসভার মেয়র মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গনি খান পলাশকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে সাধারণ জনগণ। রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে যশোর পৌরসভার পৌর ভবনের সামনে পাঁচ শতাধিক বিক্ষুব্ধ সাধারণ জনতা অবস্থান নেয়।

এরপর মেয়রের দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে নানারকম স্লোগাান দিতে থাকেন সাধারণ জনগণ। এক পর্যায়ে দুপুর ১টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতার তোপের মুখে পৌরসভার অফিস কক্ষ ত্যাগ করে বেরিয়ে যান মেয়র হায়দার গনি খান পলাশ।

মেয়র পৌরসভা কার্যালয় ত্যাগ করে বেরিয়ে গেলে ‘পালাইছেরে পালাইছেলে মেয়র সাহেব পালাইছে’ এমন স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে পৌরসভা চত্ত্বর।

বিক্ষুব্ধ সাধারণ জনগণের অভিযোগ, মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গনি খান পলাশ যশোর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে যশোরের সড়ক এবং জনগণের জীবনমানের কোন উন্নয়ন হয়নি। দূর্নীতি এবং লুটপাটের আখড়া তৈরি হয়েছে যশোর পৌরসভা। প্রতি বছর অধিক পরিমাণে পৌর কর পরিশোধ করতে হয়। বাসাবাড়ির ময়লা আবর্জনা ফেলতেও টাকা দিতে হয় পৌরসভার কর্মচারীদের। এমনকি পৌরসভা থেকে নাগরিক সুবিধা পেতে নানা রকম ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ মানুষদের। টাকা না দিলে অনেক সময় জন্মনিবন্ধন সেবা মেলে না। প্রতি বছর যে পরিমাণে পৌর কর দেওয়া হয় সেই তুলনায় নাগরিক সুবিধা পান না পৌর নাগরিকরা।

বিক্ষুব্ধ সাধারণ জনতা আরও অভিযোগ করেন, যশোর পৌরসভার মেয়র তার নিজের এলাকার রাস্তাঘাট ড্রেনের উন্নয়ন করেছেন। বিগত বছরগুলোতে যশোরের বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতাসহ বেহাল দশা দেখা দিলেও এমন দূর্ভোগ থেকে সাধারণ জনগণকে মুক্তি দিতে পারেননি তিনি। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা যশোর পৌরসভার মেয়রসহ বিভিন্ন কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করতে থাকেন।

এ বিষয়ে জানতে যশোর পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা উত্তম কুমার কুন্ডু এবং প্যানেল মেয়র মোকছিমুল বারী অপু’কে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করলেও তারা কেউই ফোন রিসিভ করেননি।